নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়কে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি অবধি জেল হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের কাছে পার্থ জানিয়েছেন শরীর ভালো নেই। অন্যদিকে, একই কথা জানিয়েছেন অর্পিতাও। তাঁর কথায়, জেলের ওয়ার্ডে থাকা খুবই কষ্টকর।
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আত্মসমর্পণ করতে আদালতে গেলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী ও পুত্র। মানিককে গ্রেফতারের পর তাঁর স্ত্রী এবং ছেলের নামেও চার্জশিট জমা করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। সেইসূত্রে স্ত্রী ও পুত্রকে তলব করেছিল আদালত। এদিন আত্মসমর্পণ করল মানিকের পরিবার। পাশাপাশি জামিনের আর্জি জানান তাঁরা।
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্ন ভুল মামলায় রায়দান স্থগিত রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই শুনানিতে সমস্ত পক্ষের জবাব জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২০ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। সেই দিনেই শোনা হবে পর্ষদ এবং মামলাকারীদের বক্তব্য। শুক্রবার এমনটাই জানাল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের বেঞ্চ।
পর্ষদের নাম করে চাকরির টোপ। ফোন করে দেওয়া হয়েছিল সেই প্রস্তাব। বুধবার এই অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরি প্রার্থী। তাঁর সেই অভিযোগ শোনা মাত্রি সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এবার রহস্যময় নম্বর প্রসঙ্গে মুখ খুলল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
গতকাল প্রাথমিকে ভুয়ো শিক্ষক নিয়োগে ১৪৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার ফের ৫৯ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করল হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালতের তরফে ওই ৫৯ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে এখনও অবধি ২৫৫ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।
প্রাথমিক শিক্ষকে বেনিয়মের অভিযোগ উঠতেই ২৬৮ জনকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে চাকরি বাঁচাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কর্মরত শিক্ষকরা। বুধবার তাঁদের মধ্যে ১৪৩ জনের চাকরি বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এই ১৪৩ জনের দ্রুত বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন বিচারপতি।