নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আত্মসমর্পণ করতে আদালতে গেলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী ও পুত্র। মানিককে গ্রেফতারের পর তাঁর স্ত্রী এবং ছেলের নামেও চার্জশিট জমা করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। সেইসূত্রে স্ত্রী ও পুত্রকে তলব করেছিল আদালত। এদিন আত্মসমর্পণ করল মানিকের পরিবার। পাশাপাশি জামিনের আর্জি জানান তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ Nandrigram: সকাল থেকে বাকযুদ্ধে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম, একে অপরকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দু-কুণালের
উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত করতে নেমে ইডির নজরে ছিল মানিক ভট্টাচার্য এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল ইডির নজরে। মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী নামে এক মৃত ব্যক্তির সঙ্গে মানিকের স্ত্রীর একটুই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নজরে এসেছিল। সেখানে ৩ কোটি টাকার রয়েছে বলেও জানা গেছে। মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে এত টাকা এখনও কেন? এই টাকা আর্থিক তছরুপের বলেই মনে করা হয়েছে।

২০১১ সাল থেকে ৫৮ হাজারের বেশী নিয়োগ হয়েছে। দুর্নীতির পাহাড় জমা হয়েছে তৃণমূলের আমলে তা বোঝাতেই পরিসংখ্যান তুলে ধরেন ইডি। দুর্নীতির সঙ্গে প্রতিটি ধাপে মানিক ভট্টাচার্য যুক্ত রয়েছেন বলে দাবি করেছে ইডি। এমনকি মানিকের পরিবারের সদস্যরাও এর সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করা হচ্ছে।
ইডির তরফে দাবি করা হচ্ছে, এর আগে মানিক ভট্টাচার্যের বাড়ি থেকে একাধিক তথ্য পেয়েছিল ইডি। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে মানিকের কম্পিউটার থেকে। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে টাকার বিনিময়ে চাকরি বিলিয়েছেন মানিক। সেই টাকা গেছে প্রভাবশালীদের কাছেও।
আত্মসমর্পণ করল মানিকের পরিবার, জামিনের বিরোধীতা ইডির

ইডির তরফে প্রশ্ন হল, নিয়োগ দুর্নীতির টাকা মানিক মারফত কার অ্যাকাউণ্টে যেত? সেটা খুঁজে বের করার প্রয়োজন রয়েছে। সেকারণেই মানিকের মুখোমুখি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁদের অনুমান, নিয়োগের নাম বিপুল অঙ্কের টাকার লেনদেন হয়েছে। সেই বিষয়ে মেসেজের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।



