নজরবন্দি ব্যুরোঃ নন্দীগ্রামে দিবস ঘিরে ক্রমাগত বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।সকাল থেকে বাকযুদ্ধে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। একে অপরের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী এবং কুণাল ঘোষ। কেউ বলছেন কলার ধরে জেলে ঢোকাবেন। আবার কেউ বলছেন, আবাস যোজনা খতিয়ে দেখার জন্য রাজ্যে উপস্থিত হবে আরও কেন্দ্রীয় টিম। চোর যোচ্চররা বাইরে থাকবে না।
ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ডাকে শনিবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছিল শহীদ দিবস কর্মসূচি। প্রথমে সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। পরে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ভাঙাবেড়া ব্রিজের কাছে শহীদ মিনারে প্রত্যেক বছরেই শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে থাকেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলে থাকাকালীন তিনি এই শহীদ দিবস পালন করেছেন। কিন্তু শুভেন্দু বিজেপিতে যাওয়ার পর এখন সেখানে আলাদা করে দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

শনিবার কাকভোরে পৌঁছে যান কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, আগে সিপিএম সকলকে মিথ্যা মামলা দিয়েছে একের পর এক। সেই রাজনীতি আবার ফিরছে। বেইমান, গদ্দার শুভেন্দু সিবিআই, এনআইএ দেখিয়ে নিরাপরাধ তৃণমূল কর্মীদের, নিরাপরাধ নন্দীগ্রামবাসীকে জেলে ভরছে। ভগবান, আল্লাহ থাকলে একদিন কলার ধরে শুভেন্দুকে জেলে ভরব। একইসঙ্গে কুণালের মন্তব্য, নন্দীগ্রামে শহীদদের রক্ত দিয়ে কেরিয়ার গড়েছেন শুভেন্দু। তাঁর শ্রদ্ধা জানানোর কোনও অধিকার নেই।
অন্যদিকে সাত সকালে উপস্থিত হন শুভেন্দু অধিকারী। শহীদ মঞ্চ থেকে শুভেন্দুর বার্তা, পশ্চিমবঙ্গে আমরা লেডি কিমের অধীনে আছি। যাদের আন্দোলনে কোনও ভূমিকা ছিল না, যারা আন্দোলনের ক্ষির-মধু খাচ্ছেন, তারা নিজেদের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও অস্তিত্ব বজায় রাখতে রাজনৈতিক পতাকা লাগাচ্ছে। রাজনৈতিক স্লোগান দিচ্ছে। রাজনৈতিক স্বার্থে পথের কাঁটা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীকে বাধা দেন।
সকাল থেকে বাকযুদ্ধে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম, একে অপরকে তোপ

নাম না করে কুণালকে আক্রমণ করে শুভেন্দুর বার্তা, ২০২১ সালে ৭ জানুয়ারি আমায় বাধা দেওয়া হয়েছিল। এরা চেষ্টা করে, কিন্তু ফেল করে। পশ্চিমবঙ্গে যে পরিবর্তন হয়েছিল ১১ সালে, তার মূলে প্রধান কারণ যদি নন্দীগ্রাম হয়ে থাকে, পরবর্তীকালে শেষ পেরেকটা নেতাই লালগড়ে। যাঁরা নারদা-সারদা-রোজ ভ্যালির টাকা খেয়েছিল, যাদের হোর্ডিংয়ে ছবি দেখা যেত, এই চোর ডাকাতরা আজ তিহাড়ের পথে।



