মমতা সম্পর্কে লেখিকা বলছেন, "তাঁর ঔদ্ধত্য এবং অহংকার সীমাহীন, একজন নির্বাসিত নিরীহ বাঙালি লেখকের জন্য নারী হয়ে বাঙালি হয়ে তাঁর সামান্য বিবেচনাবোধ, সামান্য সহানুভুতি বা সহমর্মিতা নেই। সিপিএমের কিছুই তিনি মানেন না, কিন্তু সিপিএমের অমানবিক তসলিমা বিতাড়ন তিনি খুব মানেন।"
শেখ হাসিনা বিদায়ে ব্যাপক খুশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন দেশ অর্থাৎ বাংলাদেশ যেন পাকিস্তানের পদ্ধতিতে না চলে তা নিয়ে। আর এবার তিনি তীব্র শ্লেষ উগরে দিলেন বাংলাদেশের পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে।
কিন্তু আমি কল্পনাও করতে পারিনি নন্দনে যে বুদ্ধবাবুর সঙ্গে সাহিত্য সংস্কৃতি নিয়ে আড্ডা দিতাম, প্যারিস থেকে তাঁর জন্য তিনি যা চাইতেন উপহার এনে দিলাম, সেই মানুষটি একসময় আমার বাংলা মা'কে, বাংলার আমার শেষ আশ্রয়টিকে চিরকালের মতো টেনে নিয়ে যাবেন আমার পায়ের তলা থেকে"।
যে মানুষ তার প্রেমিক বা প্রেমিকাকে ধর্ম বদলাবার জন্য চাপ দেয়, তাকে বিয়ে না করাই ভাল। কারণ সে প্রেমিক বা প্রেমিকার চেয়ে ধর্মকে বেশি ভালবাসে, তাছাড়াও নিজের ধর্মকে সব ধর্মের ওপরে রাখে। এই মেগালোম্যানিয়া সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর”।
তারা ধর্মে ডুবে আছে, বিজ্ঞানকে দূরে সরিয়ে। কোরানই নাকি তাদের বিজ্ঞান। যতদিন কোরান তাদের বিজ্ঞান শেখাবে, ততদিন তাদের দৌড় মসজিদ পর্যন্ত, চাঁদ বা মঙ্গলগ্রহ পর্যন্ত নয়”।
বছর শুরুর আগেই আবারও সম্পর্ক শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিনেত্রী। চলতি বছরের গোড়ার দিকে অভিনেতা শরিফুল রাজের সঙ্গে পঞ্চম বারের জন্য বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। আবারও তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়েছে তাঁর সংসার। আর সেই নিয়ে জোর চর্চা নেটমহলে। আর এর মাঝেই এসে পড়লেন আরও একজন বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব, তসলিমা নাসরিন। দিলেণ উপদেশ, কি বললেন তিনি