উল্লেখ্য, ২০২২সালের মার্চ মাসের বিকেলে হাঁটতে বেরিয়ে ঝালদা শহরের কাছে গোকুলনগরে আততায়ীদের গুলিতে নিহত হন তপন। সেই ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। মামলা এখনও বিচারাধীন। তাঁর মৃত্যুর পর রাজনীতির ময়দানে সক্রিয় হন পূর্ণিমা। এবার তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমার মৃত্যুতে বাড়ছে রহস্য।
নভেম্বরেই তৃণমূল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল কাউন্সিলররা। এরপর আস্থা ভোটে নির্দল কাউন্সিলরকে সঙ্গে নিয়ে বোর্ড গঠন করতে উদ্যোগ নিয়েছিল কংগ্রেস। তা রুখতেই প্রশাসকের নাম ঘোষণা করে রাজ্য। শনিবার রাজ্যের সিদ্ধান্তকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ঝালদায় বোর্ড গঠন করল কংগ্রেস। ঝালদা পুর বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হলেন শীলা চট্টোপাধ্যায়।
ঝালদার প্রাক্তন কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনে গ্রেফতার আরও এক। ধৃত ব্যক্তির নাম জাবির আনসারি। তপন কান্দুকে খুনের দিনই সিসিটিভি ফুটেছে জাবির আনসারি বাইকে বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল। সঙ্গে ছিলেন কলেবর সিং নামে এক ব্যক্তিও। অবশেষে সিবিআইয়ের হাতে ধরা পড়ল অপরাধী। তপন কান্দু খুনে গ্রেফতার শার্প শ্যুটার জাবির আনসারি ছিল বলে জানা গেছে।
সিবিআই সূত্রে খবর, ওই দিন ঘটনাস্থলে তিন রাউন্ড গুলি চালানো হয়। ঘটনার পর মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তপন কান্দুর নিথর দেহ। তিন রাউন্ড গুলির পর সোজা ঝাড়খণ্ড। কলেবরের বাইকের পিছনে ছিল শার্প শ্যুটার। সিসিটিভি ফুটেজেও তাঁর উপস্থিতি ধরা পড়েছে।