নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঝালদা পুরসভা কার দখলে যাবে? রাজ্য রাজনীতিতে এই প্রশ্ন এখন সবথেকে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবশেষে হাই কোর্টের নির্দেশে ২১ নভেম্বরেই হবে ঝালদার আস্থা ভোট। বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশে অনেকটাই খুশি রাজ্যের শাসক দল।
আরও পড়ুনঃ Northbengal: একমাসের মধ্যেই বদলে যাবে উত্তরবঙ্গ, দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
গত মাসেই ঝালদার তৃণমূল পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিলেন ৭ জন কাউন্সিলর। উপ-পুরপ্রধান তাঁর সময়সীমার শেষের দিকে অর্থাৎ ২১ নভেম্বর তলবি সভা ডেকেছিলেন। কিন্তু সেই সভার বিপক্ষে যান অনাস্থা প্রস্তাব আনা কাউন্সিলররা।

পরে শাসক ও বিরোধী শিবিরের এই বিবাদ গড়ায় কলকাতা হাই কোর্টে। বিরোধী কাউন্সিলরদের জারি করা নোটিস খারিজের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন ঝালদা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুদীপ কর্মকার। সোমবার নির্বাচনে স্থগিতাদেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এমনকি তিন বিরোধী কাউন্সিলরদের জারি নোটিশ খারিজ করে দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। যার ফলে বিরাট ধাক্কা বিরোধী শিবিরে।
যদিও গত পুর নির্বাচনে ঝালদা পুরসভায় ৫ টি করে আসনে জয়লাভ করে তৃণমূল ও কংগ্রেস। ২ জন নির্দলের সমর্থনে পুরবোর্ড গঠন করে ঘাসফুল শিবির। এরই মধ্যে সোমনাথ কর্মকার, যিনি নির্দল কাউন্সিলর, কংগ্রেসের ৫ জনের সঙ্গে পৌরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থার চিঠি দেন।বৃহস্পতিবার শেষ পেরেকটি পুঁতে দিলেন তৃণমূলের কাউ্সিলর এবং একদা নির্দল হয়ে জেতা শীলা চট্টোপাধ্যায়।
২১ নভেম্বরেই হবে ঝালদার আস্থা ভোট, বিরোধীদের মামলা খারিজ

এই পুরসভা তৃণমূলের জন্য হাতছাড়া হওয়া সময়ের অপেক্ষা৷ কারণ, সোমনাথ কর্মকার ঘোষণা করেছেন তিনি কংগ্রেসে যোগদান করবেন৷ সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে শীলা চট্টোপাধ্যায়ের নাম৷ ব্যক্তিগত কারণে তৃণমূল ছাড়বেন বলে ঘোষণা করে দিয়েছেন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। এমনকি মহিলা সাংগঠনিক পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন৷



