গরু পাচার মামলায় গত বছরেই গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এখন তাঁর ঠিকানা তিহাড় জেল। ওই একই মামলায় অনুব্রত সুকন্যা মণ্ডলকে বুধবার গ্রেফতার করে ইডি। সেই মামলায় বাবার মতো তিহাড় জেলেই ঠিকানা সুকন্যার। ১২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। ১২ মে ফের আদালতে পেশ করা হবে তাঁকে।
বৃহস্পতিবার দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ আদালতে তোলা হয় অনুব্রত-কন্যাকে। আর আদালতে সুকন্যারকে হেফাজতে চায় ইডি। এমনটাই আবেদন জানালেন দিল্লি আদালতে তিন দিনের হেফাজতের আবেদন মঞ্জুর করে। পাশাপাশি আদালত সুকন্যাকে তাঁর আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার অনুমতিও দেন।
এড়ানোর পর থেকেই বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল, তাহলে কি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবার কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে? শেষ পর্যন্ত তাই হল। গ্রেফতার হলেন সুকন্যা।
গত ১১ অগাস্ট নিচুপট্টির বাড়ি থেকে গ্রেফতার হন অনুব্রত মণ্ডল। আসানসোল জেল থেকে সম্প্রতি তাঁকে দিল্লির তিহাড় জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁকে তিহাড় জেলে হেনস্থা করা হচ্ছে। শুক্রবার নিচুপট্টির বাড়িতে ঢুকেই ভাঙচুর চালালেন কেষ্ট কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। তৃণমূলের স্থানীয় কর্মীদের অনেকেই এদিন বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন।
গ্রেফতার করে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার সমস্ত প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আসানসোল জেলে কেষ্টকে জেরা করার পর দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন ইডির তিন আধিকারিক। অনুব্রতর দিল্লি যাত্রার প্রক্রিয়া শুরু, গরু পাচারের টাকা সংক্রান্ত বিষয়ে কেষ্টর বয়ান রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে পেশ করবে ইডি।