তিনি শান্তনু ঠাকুর এবং সুকান্ত মজুমদারের লাইনে হাঁটতে নারটি।ত্তিনি বলেন, ‘এই যা পরিস্থিতি, তাতে অনেকে অনেক হিসেব করে অনেক কথা বলছেন। মানুষের ভোটে নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়া গণতন্ত্র বিরোধী।’ ফলে তিনি যে ব্যতিক্রম সেটি আবার বুঝিয়ে দিলেন। আর তৃণমূল কংগ্রেস সরকার যে পাঁচ মাসের মধ্যে পড়ছে না সেটারও ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
ভোট সন্ত্রাস নিয়ে সুকান্ত বাবু আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গে মৃত্যু ও হিংসার সম্পর্ক হয়ে গিয়েছে। রাজ্য সরকার আসার পর এই বিষয়টিকে বন্ধ করার জন্য কোন চেষ্টাই করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর উচিত যেহেতু তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দায়িত্ব এই মৃত্যুগুলো বন্ধ করা। একজনেরও মৃত্যু ঘটা উচিত না সে তৃণমূল কর্মী হোক বা অন্য কেউ”।
তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন এসএসকেএমে নন্দীগ্রামে আহত তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে বিজেপির বিরুধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। আঙুল তুলেছেন আদালতের দিকে। অভিষেকের মতে, বিজেপিই রাজনৈতিক ভাবে না লড়াই করতে পেরে সন্ত্রাস করছে, কিন্তু ভোটে মানুষের ব্যাপক সমর্থন নিয়ে জিতেছে তৃণমূল। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘আগেরবার লোকসভা ভোটে তৃণমূলের প্রার্থীকে ৩৪ হাজার ভোটে হারিয়েছিলাম। আর এবার দ্বিগুণ ভোটে হারাব। যদি ক্ষমতা থাকে উনি (পড়ুন অভিষেক) বালুরঘাট থেকে দাঁড়াক, ওনাকেও ৩৪ হাজারের দ্বিগুণ ভোটে হারাব’।
বাংলা থেকে প্রথমবারের জন্য রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দিলেন অনন্ত মহারাজ। স্বাভাবিকভাবেই এই বিষয়টিকে নিয়ে উত্তেজিত রাজ্য বিজেপি। বৃহস্পতিবার বেশ আড়ম্বরের সাথেই বিধানসভায় মনোনয়ন দিলেন রাজবংশী সম্প্রদায়ের নেতা। তাঁর মনোনয়ন জমা দেবার পর্বে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক সহ আরও অনেকে। এদিন অনন্ত মহারাজ মনোনয়ন জমা দিলেও কিন্তু থেকে গেল বাংলাভাগ বিতর্ক!
বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা বালুর ঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের দাবি, যদি নিরপেক্ষ ভাবে ভোট করাত কমিশন এবং প্রশাসন তৃণমূলের হয়ে কাজ না করত তাহলে ফলাফল আরও ভাল হত। বিষেষ করে জেলা পরিষদের ৫-৬ আসন নিশ্চিতভাবেই বিজেপির পক্ষে আসত।
এখনও পর্যন্ত ৫৪,৯৯১টি আসনে গণনার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। এর মধ্যে তৃণমূল জিতেছে ৪০,৪৭৯টি আসনে। দ্বিতীয় স্থানে বিজেপি, তারা জিতেছে ৭,০৮৩টি আসনে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে বামফ্রন্ট, তারা ৩,০৫৯টি আসনে জিতেছে। আর কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ২,২২৯টি আসনে। অন্যান্যরা ২,১৪১ টি আসনে জয় পেয়েছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর গ্রামে ‘আতঙ্কিত’ ভোটাররা। তাঁদের অভিযোগ, রাতের বেলা বাইক বাহিনী এসে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। হুমকি দিয়ে ভয় দেখানো হয়েছে। আতঙ্কিত বেশীরভাগ মানুষই বিজেপি সমর্থক। আর অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। তাই, আজ, সোমবার পঞ্চায়েতের পুনর্নির্বাচনে অনেকেই ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছিলেন। সেই কারণে ভোটারদের ‘সাহস’ জোগাতে পায়ে পায়ে বুথ পর্যন্ত গেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।