নজরবন্দি ব্যুরোঃ পঞ্চায়েত ভোটের হিংসার মাঝেই সবুজ আবিরে ঢেকেছে বাংলা। আর ঠিক এমন একটা সময়েই বিতর্কের ঝড়। গতবছর ‘ডিসেম্বর ডেডলাইন’-র কথা শোনা গিয়েছিল বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নের্তৃত্ব সুকান্ত-শুভেন্দুদের মুখে। আর পঞ্চায়েত ভোটের পরে এবার ফের নয়া দাবি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর।
আরও পড়ুনঃ ‘উস্কানিমূলক কথা বললেই বেঁধে রাখব’, শুভেন্দুকে হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের


এহেন পরিস্থিতিতে বিজেপির পঞ্চায়েত ভোটের ফল কি আদৌ আশানুরূপ? সংগঠনের জোরে ভোট করাতে পেরেছে পদ্মশিবির? সত্যিই কি বাংলায় ভোট বেড়েছে বিজেপির? উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহলে বিজেপি পিছিয়ে গেল কেন? বাংলায় কি জারি হবে ৩৫৫ ধারা?

প্রশ্নগুলি উঠতেই মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ। মূলত রাজ্যে সরকার পড়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে দুই মেরুতে দিলীপ-সুকান্ত। সুকান্ত-শান্তনুদের উল্টো সুর বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের মুখে। সোমবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণ করতে এসে দিলীপ ঘোষ ঠিক কী বলছেন?


নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়া গণতন্ত্র বিরোধী! সুকান্ত-শান্তনুর বিপরতি লাইনে গিয়ে মন্তব্য দিলীপের

তিনি শান্তনু ঠাকুর এবং সুকান্ত মজুমদারের লাইনে হাঁটতে নারটি।ত্তিনি বলেন, ‘এই যা পরিস্থিতি, তাতে অনেকে অনেক হিসেব করে অনেক কথা বলছেন। মানুষের ভোটে নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়া গণতন্ত্র বিরোধী।’ ফলে তিনি যে ব্যতিক্রম সেটি আবার বুঝিয়ে দিলেন। আর তৃণমূল কংগ্রেস সরকার যে পাঁচ মাসের মধ্যে পড়ছে না সেটারও ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।








