নির্বাচন কমিশনের তরফে গতকাল জানিয়ে দেওয়া হয়েছ, শিবসেনার আসল প্রতীক ও নাম ব্যবহার করতে পারবে না কোনপক্ষই। তাই শিন্ডে এবং উদ্ধভ দুই শিবিরের মূল প্রতীক কী হবে? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। কমিশনের নির্দেশের পরেই প্রতীক ও নাম বাছাইইয়ের কাজ শুরু করেছে দুই পক্ষ।
উদ্ধবের ইস্তফার পরেই সরকার গঠনের তৎপরতা শিন্ডে শিবিরে। তাঁদের দাবি, সরকার গঠনের জন্য ১৭০ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বিধায়কদের কাছে। সূত্রের খবর, আজই গোয়ায় বিক্ষুব্ধ শিবিরের বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকের পরেই রাজ্যপাল ভগত সিং কোশিয়ারির সঙ্গে দেখা করবেন তিনি।
গতকাল থেকেই মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনাবলী আলাদা মোড় নিতে শুরু করেছে। রাজ্যপালের নির্দেশে আগামীকাল আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে হবে উদ্ধব সকারকে। রাজ্যপালের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা গড়াল সুপ্রিম কোর্টে। তাঁদের বক্তব্য, অনৈতিকভাবে আস্থা ভোট করাতে চান রাজ্যপাল।
সর্বাধিক সংখ্যক বিধায়কদের নিয়ে গুয়াহাটিতে থেকেই উদ্ধভ ঠাকরেদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধরা। এরপর মহারাষ্ট্রের সরকার ভাঙার পক্ষেই যুক্তি রাখলেন শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত। চাইলে সরকার ভাঙতে রাজি, কিন্তু বিক্ষুব্ধরা এসে কথা বলুক।
ক্রশ ভোটিংয়ের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই বেপাত্তা মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে সহ ২২ জন বিধায়ক। পরে সুরাতের একটি হোটেলে তাঁদের খোঁজ মেলে। এরপর বিক্ষুব্ধদের নিয়ে গুয়াহাটির ব্লু র্যাডিসন হোটেলে আস্তানা নিয়ে বিধায়করা। গুয়াহাটির হোটেলে শিবসেনার বিক্ষুব্ধরা। এমনকি তাঁদের সমস্ত দেখভালের বিষয়টি নিজে এসে দেখে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।
সোমবার থেকে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে টলমল অবস্থা। একে বহু শিবসেনার বিধায়করা অসমে জমায়েত হতে শুরু করেছেন। এরই মধ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন মহারষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী। কার্যত শিন্ডের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন, একজন বিধায়ক চাইলে আমি ইস্তফা দিতে রাজি।
সকাল বেলায় ৪০ এর অধিক বিধায়ক নিয়ে গুয়াহাটিতে উপস্থিত হয়েছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। তাই সরকার সামলাতে গিয়ে ঘাম ছুটছে শিবসেনার নেতাদের। এরই মধ্যে শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতের ট্যুইট ঘিরে জল্পনা। তিনি বলেন, গুয়াহাটি থেকে উদ্ধভ সরকার ভাঙার পরিকল্পনা শিন্ডের।