নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত ও তল্লাশি করতে শুক্রবার হাজির হয়েছিল সিবিআইয়ের একটি দল। সিবিআইয়ের হাত থেকে বাঁচতে বাড়ির পাশের পুকুরে ফোন ফেলে দিয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ। রবিবার সকালে প্রথম ফোনটি উদ্ধার হয়েছিল। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মিলল জীবনকৃষ্ণের দ্বিতীয় ফোন। গত কয়েক ঘন্টা ধরে তল্লাশি অভিযানের পর বিরাট সাফল্য পেল সিবিআই।
নিয়োগ দুর্নীতিতে বিভাসের নাম উঠে আসার পর থেকেই তাঁর সঙ্গে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থর যোগ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, বিভাসের মাথায় ছিল পার্থর হাত। সেকারণেই দুর্নীতিতে সহজে প্রভাব খাটিয়েছিলেন তিনি। তবে শুধুমাত্র চাকরি বিক্রি নয়, আশ্রমের আড়ালে কুকীর্তি থেকে শুরু করে, জোর করে জমি লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিভাসের বিরুদ্ধে।
অর্থলগ্নি সংস্থার বিজ্ঞাপনের মুখ ছিলেন ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। এবার সেই সংস্থার দুর্নীতিতে নাম জড়াল। এবার সানিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত করবে ইডি। অভিযোগ, ওই সংস্থার একাধিক অনুষ্ঠানে মধ্যমণি ছিলেন সানিয়া। তাঁকে দেখে প্রচুর মানুষ টাকা রেখেছিলেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য ইডির কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে।
নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে মানিক ভট্টাচার্য ও কুন্তল ঘোষকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এবার কুন্তল ও মানিকের যোগ নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরল ইডি। সূত্রের খবর, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিকের রাগ ভাঙাতেও টাকা পাঠিয়েছিল কুন্তল। সেই টাকা গিয়েছিল মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মারফত।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার অয়ন শীল সম্পর্কে বিরাট তথ্য হাতে পেতে মরিয়া এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডির বিশেষ নজরে রয়েছে অয়ন শীলের স্ত্রী, ছেলে, ছেলের বান্ধবী ইমন গঙ্গোপাধ্যায় এবং শ্বেতা চক্রবর্তী। আগামী সপ্তাহেই অয়ন ঘনিষ্ঠ শ্বেতাকে তলব করতে পারে তদন্তকারী সংস্থা। একইসঙ্গে তলব করা হতে পারে অয়নের পরিবারের সদস্যদের।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তে নেমে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের পর শনিবার তাঁর একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। একইসঙ্গে এদিন শান্তনু ঘনিষ্ঠ অয়ন শীলের সল্টলেকের অফিসে রাতভর তল্লাশি চালিয়ে একাধিক তথ্য সংগ্রহ করেছে ইডি। শান্তনু ঘনিষ্ঠ অয়নের কাছ থেকে উদ্ধার নিয়োগ দুর্নীতির তথ্য। যা আগামী দিনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।