নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত ও তল্লাশি করতে শুক্রবার হাজির হয়েছিল সিবিআইয়ের একটি দল। সিবিআইয়ের হাত থেকে বাঁচতে বাড়ির পাশের পুকুরে ফোন ফেলে দিয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ। রবিবার সকালে প্রথম ফোনটি উদ্ধার হয়েছিল। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মিলল জীবনকৃষ্ণের দ্বিতীয় ফোন। গত কয়েক ঘন্টা ধরে তল্লাশি অভিযানের পর বিরাট সাফল্য পেল সিবিআই।
রবিবার প্রথম উদ্ধারের পর থেকেই জীবনকৃষ্ণ দেখে বলেন, সেই ফোন তাঁর। পরে বিকেল গড়াতে সিবিআই জানতে পারেন সেই ফোনের মালিক জীবনকৃষ্ণের স্ত্রী। এরপর থেকে তৎপরতা বাড়ানো হয় সিবিআইয়ের তরফে। জেসিবি আনা হয় ফোন খোঁজার জন্য। পাঁক গুলিয়ে অবশেষে হাতে করেই উঠে এল জীবনকৃষ্ণের দ্বিতীয় ফোনটি। তবে সেই ফোন আদৌ কি তাঁর? তা নিয়ে প্রশ্ন জাগতে শুরু করেছে।

রবিবার থেকেই পুকুরের চারপাশে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা। কোনভাবেই যাতে না কেউ পুকুরের আশেপাশে আসতে পারে, সেজন্য বিরাট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। সোমবার ভোরে জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতারের পরেও ছিল চলছিল দ্বিতীয় ফোনের খোঁজ। অবশেষে এক কর্মী উদ্ধার করেন। এর পরেই সমস্ত অপেক্ষার অবসান ঘটল। ফোনটি পাওয়ার পরেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর মাধ্যমে সেই ফোন জীবনকৃষ্ণের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাইরে থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সমস্ত দরজা।
দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মিলল জীবনকৃষ্ণের দ্বিতীয় ফোন, বিরাট অভিযানে সিবিআই

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জীবকৃষ্ণের বাড়িতে দীর্ঘ তল্লাশি অভিযানে একাধিক তথ্য হাতে পেয়েছে সিবিআই। সিবিআইয়ের সেই সমস্ত তথ্যকে সামনে রেখে আজ জীবনকৃষ্ণকে হেফাজতে নেবে সিবিআই। তার ফোনের মাধ্যমে বিরাট তথ্য উঠে আসতে পারে। এমনটাই মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা।



