আগামী মাসেই রাজ্যসভার নির্বাচন। বিধায়কদের ভোটাধিকার রয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া তিন বিধায়ক অংশ নিতে পারবেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, জীবনকৃষ্ণ সাহা, জেলবন্দি থাকলেও তাঁদের বিধায়ক পদ অব্যাহত রয়েছে। তাই রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচনে তাঁদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে তাঁদের আদালতে আবেদন করতে হবে। সেই আবেদন মঞ্জুর হলে ভোট দিতে যাবেন তাঁরা।
প্রায় ১৫ দিন অতিক্রান্ত হতে চললেও কেন জীবনকৃষ্ণের বিরুদ্ধে এখনও পদক্ষেপ নেয়নি তৃণমূল? প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। তবে কি দল এখনও পাশে রয়েছে? শনিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে মুর্শিদাবাদের বড়ঞার বিধায়ক জানালেন, অবশ্যই পাশে রয়েছে দল।
মঙ্গলবার আলিপুরের বিশেষ আদালতে বিধায়ককে পেশ করে বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এদিন সিবিআইয়ের আইনজীবী দাবি করেন, জীবনকৃষ্ণের মোবাইল থেকে মিলেছে একাধিক অডিও ফাইল। যা নিয়োগ দুর্নীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেগুলিকে খতিয়ে এখার জন্য জীবনকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। এমনটাই জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।
সিবিআইয়ের হাত থেকে ফোন কেড়ে নিয়ে পুকুরে ফেলে দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। দীর্ঘ ৬৫ ঘন্টা ধরে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের পর তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতার করে সিবিআই। চূড়ান্ত নাটকীয় পর্ব চলেছিল জীবনকৃষ্ণের বাড়ির এলাকায়। কিন্তু কেন পুকুরেই ফোন ফেলেছিলেন জীবনকৃষ্ণ? শুক্রবার আদালতে তা স্পষ্ট করলেন জীবনকৃষ্ণের আইনজীবী।