নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর বাড়িতে ৬৫ ঘন্টা ধরে নাটকীয় পর্ব চলার পর সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন মুর্শিদাবাদের তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। প্রায় ১৫ দিন অতিক্রান্ত হতে চললেও কেন জীবনকৃষ্ণের বিরুদ্ধে এখনও পদক্ষেপ নেয়নি তৃণমূল? প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। তবে কি দল এখনও পাশে রয়েছে? শনিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে মুর্শিদাবাদের বড়ঞার বিধায়ক জানালেন, অবশ্যই পাশে রয়েছে দল।
দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হলে তাঁকে কোনভাবেই প্রশয় দেওয়া হবে না। একথা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সেকারণেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়দের দলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে সদস্যপদ কেড়ে নিয়েছে তৃণমূল। কিন্তু সেই তালিকায় বাকি পড়ে গেছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি তথা পলাশিপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য। অভিযুক্তদের নতুন তালিকায় জীবনকৃষ্ণ সাহার নাম যুক্ত হলেও এখনই কোনও পদক্ষেপ নেয়নি তৃণমূল।

একইভাবে গরু পাচারে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি দল। বরং দলীয় নেতৃত্বদের মুখে বারবার শোনা গেছে অনুব্রত মণ্ডলের নাম। সেটা থেকেই স্পষ্ট হয়েছে বীরভূমের জেলা সভাপতি পদ নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে রাজি নয় তৃণমূল। বরং বারবার স্পষ্ট করেছেন অনুব্রতর পাশে রয়েছেন তাঁরা।
অবশ্যই পাশে রয়েছে দল, জীবনকৃষ্ণের মন্তব্য ঘিরে জল্পনা

যদিও জীবনকৃষ্ণের প্রশ্নের উত্তরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইটস আ গেম প্ল্যান, যত পারে, যত বেশি বিধায়ককে ইনভলভ করে, তারা যাতে অ্যাসেম্বলি আসতে না পারে, আমাদের সংখ্যাটা কমিয়ে দিতে পারে, বাদবাকি কিনতে পারে, এই সব প্ল্যান করছে। কিন্তু যেহেতু সংখ্যাটা আমাদের অনেক বেশি, এবং বিজেপিরও আরও ৫-৬ জন ৭ জন আমাদের সাথে আছে, সুতরাং এটা কিছু করতে পারছে না। এখনও ৫-৬ জন এমএলএ-কে অলরেডি টার্গেট করেছে। কিন্তু খুঁজে দেখুন তো বিজেপির কোনও এমএলএ-কে টার্গেট করেছে?



