চাকরিপ্রার্থীদের সুবিধে পাইয়ে দেওয়ার জন্য কুন্তলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। সিবিআই সূত্রে খবর, ৯০০ জনের চাকরির বরাত এসেছিল কুন্তলের কাছ থেকে। প্রাইমারি থেকে আপার প্রাইমারি সব ধরনের প্রার্থীই আসতেন কুন্তলের কাছে। সেই তালিকা পরে চলে যেত বিধায়ক জীবনকৃষ্ণের কাছে। জীবনের দুর্নীতির বহর দেখে মনে হচ্ছে পার্থ-কুন্তলরা চুনোপুটি।