মঙ্গলবার উত্তর বরানগরে মিছিল হবে। শুরু হবে নর্থ টাউন তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে। বিকেল চারটের সময় এই মিছিল হবে। এরপর বিকেল পাঁচটায় তৃণমূলের আরও একটি মিছিল বের হবে দক্ষিণ বরানগর থেকে। শেষ হবে বরাহনগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। মিছিলেন নেতৃত্ব দেবেন বিধায়ক সায়ন্তিকা।
আর এইসবের মধ্যেই শপথ জট কাটাতে বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছে রাজ্য। সূত্রের খবর রাজ্যপাল আনন্দ বোস কে বাদ দিয়েই হয়তো দুই বিধায়কের শপথ হতে পারে। সূত্রের খবর বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই কথার ইঙ্গিত দিয়েছেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষও।
দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়ে এদিন নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক থেকেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর কথায়, রাজভবনে মহিলাদের নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে তাতে সেখানে যেতে ভয় করছে মহিলারা।
সায়ন্তিকাদের তরফে জানানো হয়েছে, আজ অর্থাত্ বুধবার তাঁরা দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত বিধানসভায় অপেক্ষা করবেন। রাজ্যপাল ও তাঁর মনোনীত কোনও প্রতিনিধি এসে শপথবাক্য পাঠ করাতে পারেন। রাজভবনে তাঁরা যাবেন না।
ঘটনার সূত্রপাত, রাজ্যপাল সায়ন্তিকাদের বিধানসভাকে না জানিয়েই প্রথমে একবার শপথপাঠের আমন্ত্রণ জানান। তাতেই ক্ষোভ হয় অধ্যক্ষ বিমানের। সঙ্গে সঙ্গে চিঠি দেন রাজ্যপালকে। সায়ন্তিকা ও রায়াতও জানান, তাঁরা বিমানের কাছেই শপথ নিতে চান।
বোস সাফ জানিয়েছেন, সংবিধান অনুযায়ী বিধায়কদের শপথ নেওয়ার ব্যাপারে শেষ কথা বলবেন রাজ্যপালই। সেই নিদান না মানলে তার শাস্তিও পেতে হয়, জরিমানা দিতে হয় বিধায়কদের, এ কথাও স্মরণ করিয়েছেন সায়ন্তিকা এবং রায়াতকে।