গত ৪ জুন, লোকসভার পাশাপাশি রাজ্যের ২ বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হয়। বরানগর কেন্দ্রে জয়ী হন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভগবানগোলায় রেয়াত হোসেন সরকার। তার পর থেকে প্রায় মাসখানেক কেটে গেলেও শপথ জট অব্যাহত। কোনভাবেই এই শপথ জট কাটার নাম গন্ধ নিচ্ছে না। শপথ গ্রহণের জন্য উপনির্বাচনে জয়ী দুই বিধায়ককে রাজভবনের তরফ থেকে চিঠি পাঠানো হয়।



এবং বলা হয় শপথ নিতে রাজভবনে তাদের আসতে হবে। কিন্তু এখানেই বেঁকে বসেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক। তারা পাল্টা চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেন রাজভবনে নয় শপথ তারা নেবেন বিধানসভাতেই। এরপরে রাজ্যপাল কে বিধানসভায় এসে শপথ বাক্য পাঠ করানোর অনুরোধ জানান বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

এসবের মধ্যেই শপথ জট নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ খুলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানান রাজ্যপালের বিরুদ্ধে উঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগ এর কারণেই জয়ী বিধায়করা রাজভবনে যেতে ভয় পাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর জল গড়াই আদালত পর্যন্ত। মুখ্যমন্ত্রী বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন রাজ্যপাল।
সায়ন্তিকাদের শপথ জট কাটাতে নয়া ভাবনা, রাজ্যপালকে বাদ দেবার কথা ভাবছেন স্পিকার



আর এইসবের মধ্যেই সায়ন্তিকাদের শপথ জট কাটাতে নয়া ভাবনা। সূত্রের খবর রাজ্যপাল আনন্দ বোস কে বাদ দিয়েই হয়তো দুই বিধায়কের শপথ হতে পারে। সূত্রের খবর বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই কথার ইঙ্গিত দিয়েছেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষও।







