৩ সপ্তাহ পার কিন্তু দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়ে জট ক্রমশ বেড়েই চলেছে। আর তাই বুধবারের পর বৃহস্পতি বারেও বিধানসভার বাইরে ধর্নায় বসলেন সায়ন্তিকা ও রায়াতরা। শপথ গ্রহণ না হওয়া পর্যন্ত ধর্নাবস্থান চালিয়ে যাবে বলেই দাবি সায়ন্তিকাদের। অপর দিকে এই আবহে বুধবারই দিল্লি চলে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কবে ফিরবেন জানা নেই, তাই শপথ জট চলতি মাসে আদেও কাটবে কিনা সে নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।
আরও পড়ুন: সপ্তাহান্তে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি, ঝড়-জলের পূর্বাভাস শোনাল আলিপুর
এদিকে বিধায়ক পদে শপথ গ্রহণ না হওয়া পর্যন্ত কোন কাজেও হাত লাগাতে পারছেন না এবং পরিষেবা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এই বিধান সভার সাধারণ মানুষ দাবি বরানগরের জয়ী প্রার্থী তথা বিধায়ক সায়ন্তিকা ব্যানার্জির। অন্যদিকে সায়ন্তিকাকে একা রাজভবনে শপথ গ্রহণের জন্য ডাকা নিয়ে রাজ্যপালের উপর থাকা দিনকয়েক আগের শ্লীলতাহানির ঘটনাও আর একবার স্মরণ করিয়ে দিলেন।

সায়ন্তিকার বক্তব্য, দুই জায়গার উপনির্বাচনে দুই তৃণমূল প্রার্থী জয় লাভ করার পরেও তাকে একা ডাকা হয়েছে কেনো সেই নিয়ে তৈরি হচ্ছে সন্দেহ। সেই সঙ্গে তিনি জানান যে রাজভবনে যাওয়া নিয়ে তিনি মোটেই নিরাপদ বোধ করছে না। উল্লেখ্য, দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়ে এদিন নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক থেকেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়ে জট, বিচার চেয়ে বিধানসভায় ধর্নায় সায়ন্তিকা-রায়াত!

মমতার কথায়, রাজভবনে মহিলাদের নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে তাতে সেখানে যেতে ভয় করছে মহিলারা।
ফলে শপথ গ্রহণের জটিলতা যে ক্রমেই বাড়ছে সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।



