এই সিনেমায় তার অভিনয়ের জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছেন পরিচালক নন্দিতা রায়ও। ঋতাভরী এই ছবি 'বাৎসরিক' দিয়ে নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন এবং তার অভিনয় নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ এও মনে করছেন, মিল্টন রশিদ তিন বারের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়কে হারিয়ে পর্যন্ত দিতে পারেন! যার নেপথ্যে যথেষ্ট কারণও রয়েছে। কেন মিল্টন এবারের লোকসভায় বীরভূমের গেম চেঞ্জার?
তাই এবার ভোটে নেই কোন বিশেষ শব্দ বা কোন চটুল মন্তব্য। এদিকে এবারে অনুব্রতহীন বীরভূমে অভিভাবক ছাড়াই লড়াই করছেন শতাব্দী রায়। দল পাশে থাকলেও অনুব্রতর অভাব টের পাচ্ছে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে কিছুটা হলেও চাপে রয়েছেন শতাব্দী রায়।
সেই কারণেই বিক্ষোভ। উনি যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই কালো পতাকা দেখাচ্ছেন। শুধু ধাপ্পাবাজি, চিটিংবাজি, গরিব মানুষ জল-বাসস্থান পরিষেবা চান। তাই বীরভূমের মানুষ বলেছেন তোমার দেখা নাই”।
প্রচারের মধ্যেই আচমকা এরকম ঘটনা ঘটায় প্রথমে কিছুটা আশ্চর্য হলেও পরিস্থিতি সামলে নেন সেখানকারই বিদায়ী সাংসদ শতাব্দী। মাথা গরম না করে ধৈর্য্য ধরে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ শোনেন তিনি। কথা দেন, সমস্যা সমাধানের। এরপরই থেমে যান গ্রামবাসীরা। শেষে তাঁরা শতাব্দী রায়ের নামেই জয়ধ্বনি দেন।