রবিবার বীরভূম লোকসভার নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের নোয়াপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গোকুলনগর গ্রামে প্রচারে বেরিয়ে গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হল বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়কে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, বারবার প্রশাসনকে বলা সত্ত্বেও রাস্তা মেরামতির কাজ হয়নি।
আরও পড়ুন: প্রচারে নেমে পুলিশের বাধা পেয়েছিলেন, সেই বাম প্রার্থী শায়রাকে এবার ‘সাপোর্ট’ দিল কংগ্রেস


প্রচারের মধ্যেই আচমকা এরকম ঘটনা ঘটায় প্রথমে কিছুটা আশ্চর্য হলেও পরিস্থিতি সামলে নেন সেখানকারই বিদায়ী সাংসদ শতাব্দী। মাথা গরম না করে ধৈর্য্য ধরে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ শোনেন তিনি। কথা দেন, সমস্যা সমাধানের। এরপরই থেমে যান গ্রামবাসীরা। শেষে তাঁরা শতাব্দী রায়ের নামেই জয়ধ্বনি দেন।

বীরভূমে সবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। সদ্য অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস দেবাশিষ ধরকে লালমাটির টিকিট দিয়েছে গেরুয়া দল। এদিন প্রচার শেষে শতাব্দী নিজে জানিয়েছেন, তিনি জয়ের ব্যাপারে ২০০ শতাংশ নিশ্চিত।



প্রচারে জনগণের ক্ষোভের মুখে শতাব্দী, মেজাজ না হারিয়ে দিলেন কাজের প্রতিশ্রুতি
২০০৯ সাল থেকে বীরভূম কেন্দ্রের সাংসদ শতাব্দী। অঞ্চলের মানুষের সাথে তাঁর জনসংযোগ যথেষ্ট ভালো বলেই দাবি করেন তিনি। বীরভূমে এবার প্রথম অনুব্রত মণ্ডলকে ছাড়াই লড়তে হবে শতাব্দীকে। কংগ্রেসের তরফে মিল্টন রশিদকে বীরভূমের প্রার্থী করা হয়েছে। এখন শেষ হাসি কে হাসবেন তা জানতে অপেক্ষা ৪ জুন পর্যন্ত।









