ভোটের দিনেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল নওদা। পথ অবরোধ তুলে এলাকা ছাড়ার সময় Humayun Kabir-এর কনভয়ে হামলার অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। গাড়ি ভাঙচুর, ধস্তাধস্তি, আর শেষমেশ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জ—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
সূত্রের খবর, শিবনগর এলাকায় প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে বসেছিলেন হুমায়ুন কবীর। অভিযোগ, নির্দিষ্ট কিছু বুথে তাঁর দলের পোলিং এজেন্টদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না এবং ছাপ্পা ভোট চলছে—এই খবর পেয়েই তিনি এলাকায় পৌঁছন। এরপরই তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়, যা দ্রুত হাতাহাতিতে গড়ায়।


দুপুরের দিকে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময়ই লাঠি-বাঁশ নিয়ে কনভয়ের একাধিক গাড়িতে হামলা চালানো হয়। কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি হুমায়ুনের দলের কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করা হয়। ঘটনাস্থলে উত্তেজনা এতটাই বাড়ে যে, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের মধ্যে সমন্বয় নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এক পর্যায়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ানকে পিস্তল হাতে রাস্তায় ছোটাছুটি করতেও দেখা যায়।
হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, স্থানীয় পুলিশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি। তাঁর কথায়, “কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে আমার প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল।” গোটা ঘটনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।


ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভোটের দিনেই এই ধরনের সংঘর্ষ ঘিরে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়েও।








