এই মুহুর্তে জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল জেলবন্দী। তাঁর দিল্লি যাত্রার পরে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফেরা একপ্রকার অনিশ্চিত। সেই অনুব্রত মণ্ডল না থাকলেও নির্বাচনে কোনও অসুবিধা হবে না। এমনটাই মন্তব্য করে বসলেন বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। তাঁর কটাক্ষ, কীভাবে ভোট করাতে হয়, দলের নেতারা ভালো করেই জানেন।
রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে তৃণমূলের দিদির সুরক্ষা কবচের কর্মসূচি। নিয়ম মেনে কর্মীদের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়ছে এই কর্মসূচিতেও। কিন্তু নিজ লোকসভা কেন্দ্রে গিয়ে ক্ষোভের মুখে পড়তে হল সাংসদ শতাব্দী রায়কে। আবার কখনও কর্মীর বাড়িতে বাড়া ভাতের সঙ্গে শুধুমাত্র ছবি তুললেন তিনি। যা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেই বাড়ছে ক্ষোভ।
৪ দিন পরেই স্বমহিমায় ফিরবেন অনুব্রত এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই। আপাতত সিবিআই হেফাজত, পরে জেল, পার্থর মত এটাই অনুব্রতর ভবিষ্যৎ। একদিকে যখন অনুব্রত সিবিআই কাস্টিডিতে রয়েছেন তখন অন্যদিকে বীরভূমের রাজনীতিতে শরগোল পড়ে গিয়েছে।