নজরবন্দি ব্যুরোঃ হেফাজত শেষে আজ আসানসোলে সিবিআই-এর বিশেষ আদালতে আনা হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। আদালত চত্বরে অনুব্রতকে ‘গরু চোর’ স্লোগান দেওয়া হল। উপস্থিত ছিলেন শতাধিক উৎসাহী জনতা। সিবিআই এদিন অনুব্রত মন্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে আরও কয়েকদিনের হেফাজত দাবি করে। শুনানি শেষে বিচারপতি সিবিআই-এর পক্ষেই রায় দেন। মূলত প্রভাবশালী তত্ত্বেই খারিজ হয়েছে কেষ্টর জামিন। সেই কারনে কেষ্টর হাতে থাকা দলীয় ক্ষমতা থেকে তাঁকে মুক্ত করতে পারে তৃণমূল।
আরও পড়ুনঃ আজ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর জন্মদিন, জানুন কিংবদন্তী নেতার অজানা কাহিনী



আদালতে সিবিআইয়ের দাবি, ‘‘উনি সবচেয়ে প্রভাবশালী। রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ আছে। এখানে এক ব্যক্তির ব্যবসার কথা হচ্ছে না। এটা আসলে একটি ‘চেইন’।’’ এর পর সরাসরি অনুব্রতকে আরও চার দিন হেফাজতে চেয়ে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘‘এখনও অনেক ব্যাপার জানার আছে। ওঁর সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন জিনিস খতিয়ে দেখতে হবে। সে জন্য তাঁকে আবার আমাদের হেফাজতে নিতে হবে। আমাদের হেফাজতে তাঁর প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা হচ্ছে। অভিযুক্তের কোনও অসুবিধা হয়নি।’’

এদিন অনুব্রতর আইনজীবী আদালতে অনেক চেষতা করলেও খারিজ হয়ে যায় কেষ্টর জামনের আবেদন। সরকারি যোগ এবং প্রভাবশালী তত্ত্বেই পড়ে শিলমোহর। সর্বভারতীয় তৃণমূল তথা রাজ্যের শাসক দলের একাধিক পদে রয়েছেন অনুব্রত মন্ডল। তিনি বীরভূম জেলার সভাপতিও বটে। তাই তাঁর গা থেকে প্রভাবশালী তত্ত্ব মুছে দিতে দলের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে খবর।


প্রভাবশালী তত্ত্বেই খারিজ কেষ্টর জামিন, বীরভূমের নয়া তৃণমূল সভাপতি শতাব্দী?

সূত্রের খবর, ৪ দিন পরেই স্বমহিমায় ফিরবেন অনুব্রত এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই। আপাতত সিবিআই হেফাজত, পরে জেল, পার্থর মত এটাই অনুব্রতর ভবিষ্যৎ। একদিকে যখন অনুব্রত সিবিআই কাস্টিডিতে রয়েছেন তখন অন্যদিকে বীরভূমের রাজনীতিতে শরগোল পড়ে গিয়েছে। গুড় বাতাসা, নকুলদানা বা পাঁচনের বাড়ির প্রবক্তা অনুব্রতর স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন শতাব্দী রায়।







