অনুব্রত মন্ডলের স্থানে বীরভূম জেলার সভাপতি হতে চলেছেন শতাব্দী রায়। এমনিতেই অনুব্রত-শতাব্দী সম্পর্ক বরাবরই ‘অম্ল-মধুর’। একটা সময়ে অনুব্রতের ব্যবহারে ‘বীতশ্রদ্ধ’ হয়ে শতাব্দী বীরভূমের বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচিতে যাওয়াই বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সেই শতাব্দীতেই ভরসা রাখতে চলেছে জোড়াফুল।
তৃণমূলের সাংসদের মন্তব্যের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূলের একাংশ। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষের বক্তব্য, এর সঙ্গে পুরুষ মহিলারত সম্পর্ক নেই। একই কথা বলছেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দি রায়। তাঁর কথায়, মহিলা-পুরুষের বিভেদ এটা নয়। তবে কী সৌগত রায়ের মন্তব্য সঠিক নয়?
দীর্ঘ বিরতির পর একেবারে বড়পর্দাইয়, নতুন ভাবে এবার শতাব্দী রায়। ছোটপর্দা নয়, বরং বড়পর্দার মাধ্যমেই দর্শকদের কাছে প্রত্যাবর্তনের সিদ্ধান্ত নিলেন তৃণমূল সাংসদ। তাও আবার হিন্দি সিনেমা দিয়ে। সম্প্রতি সেই ছবির শুটিং শুরু করেছেন শতাব্দী।