নজরবন্দি ব্যুরোঃ এই মুহুর্তে জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল জেলবন্দী। তাঁর দিল্লি যাত্রার পরে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফেরা একপ্রকার অনিশ্চিত। সেই অনুব্রত মণ্ডল না থাকলেও নির্বাচনে কোনও অসুবিধা হবে না। এমনটাই মন্তব্য করে বসলেন বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। তাঁর কটাক্ষ, কীভাবে ভোট করাতে হয়, দলের নেতারা ভালো করেই জানেন।
আরও পড়ুনঃ Bonny-Kaushani: বনি এত সফল অভিনেতা, একটা গাড়ি কিনতে পারেন না? প্রশ্ন বান্ধবী কৌশানীর
প্রতিবার নির্বাচনের আগেই কেবলমাত্র সক্রিয় হতে দেখা যায় শতাব্দীকে। কিন্তু এবার কেষ্টকে গ্রেফতার করতেই ময়দানে নেমেছেন তৃণমূল সাংসদ। দলনেত্রীর তৈরি করা কমিটিতে রয়েছেন তিনি। একাধিক জায়গায় দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে দেখা গেছে তাঁকে। সম্প্রতি অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতেই শতাব্দী বলেন, ভোটেই অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি রাখা হয়েছিল। তা বলে কি ভোট হয়নি? ব্যাপারটা একেবারেই সেই রকম নয়। যেমন ভোট হওয়ার তেমনই হবে।

এত দিন ধরে বীরভূম সহ সংলগ্ন এলাকার সংগঠন দেখতেন অনুব্রত। তাঁর ক্যারিশমাতেই জয় পেয়েছে তৃণমূল। তবুও সাংসদ শতাব্দী রায়ের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের সখ্যতা সেভাবে ছিল না বলেই জানা যায়। তৃণমূলের একাংশের মতে, বেশ কয়েক বার শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে অনুব্রত সম্পর্কে নালিশ করেছিলেন সাংসদ। কিন্তু জেলা সভাপতি গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে দলের দুর্দিনে পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে শতাব্দীকে।
অনুব্রত মণ্ডল না থাকলেও নির্বাচনে কোনও অসুবিধা হবে না, দলের নেতারা ভোট করাতে জানে

শুধুমাত্র শতাব্দী নয়, কোর কমিটিতে জায়গা হয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের বিপরীত মেরুতে অবস্থানকারী কাজল শেখেরও। কিছু আগেই নিজের দল নিয়ে সমালোচনা করে বসেন তিনি। নির্বাচনের কারণে সেই কোর কমিটির বৈঠক হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শতাব্দী। তবে এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে কোনভাবেই বিরোধীরা যাতে না জায়গা করতে পারে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে ঘাসফুল শিবিরের তরফে।



