নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচার মামলায় বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা করেছে সিবিআই। সিবিআইয়ের চার্জশিটে কী রয়েছে? ক্রমশ প্রকাশ্য হতেই অস্বস্তি বাড়ছে তৃণমূলের অন্দরে। জানা গিয়েছে, সেখানে সাক্ষী হিসাবে নাম রয়েছে বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের। একইসঙ্গে নাম রয়েছে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তিদের। গরু পাচার মামলায় সাক্ষী শতাব্দী রায়কে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে।


সূত্রের খবর, শুক্রবার ৫৩ পাতার চার্জশিট জমা করেছে সিবিআই। সেই চার্জশিটে ৯৫ জন সাক্ষীর নাম রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী আলোচনা হচ্ছে শতাব্দী রায়ের নাম ঘিরে। সূত্রের খবর, তাঁকে তলব করেছিল সিবিআই। তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়াও বোলপুরের ব্যাঙ্ক ম্যানেজার সহ শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজের অধিকর্তা মলয় পিঠের নাম রয়েছে চার্জশিটে।

এমনিতেই বীরভূম আসনে শতাব্দী জয়লাভ করলেও জয়ের অন্যতম কাণ্ডারি অনুব্রত মণ্ডল যে ছিলেন এবিষয়ে কোনও সন্দেহ ছিল। ২০২১ সালের নির্বাচনের সময় দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শতাব্দী। সেই জল্পনা শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, কিন্তু সেটা সামাল দেয় শীর্ষ নেতৃত্ব।
সময় বদলে গরু পাচার মামলায় ১১ অগাস্ট অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করে সিবিআই। পরে খয়রাশোলের এক সভা থেকে তৃণমূল সাংসদ বলেন, আমাদের অনুব্রত মণ্ডলের পাশে থাকতে হবে, বোঝাতে হবে আমরা অকৃতজ্ঞ নই। আপনারা যখন অনুব্রত মণ্ডলকে পাশে পেয়েছেন, সহযোগিতা পেয়েছেন, তখন আপনাদেরও তাঁর পাশে থাকতে হবে।


গরু পাচার মামলায় সাক্ষী শতাব্দী, অভিনেত্রীর জবানবন্দী নিয়েছে সিবিআই

শতাব্দী ছাড়াও ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের নাম উল্লেখ করেছে সিবিআই। সূত্রের খবর, বিরাট অঙ্কের টাকার লেনদেন হত গরু পাচারের মাধ্যমে। এমনকি উল্লেখ রয়েছে মলয় পিঠের নাম। সিবিআইয়ের অনুমান, গরু পাচারের কালো টাকা সাদা হত মলয় পিঠের সংস্থার মাধ্যমেই। বিপুল অঙ্কের টাকার সম্পত্তি মালিক অনুব্রত ও তাঁদের ঘনিষ্ঠদের ওপর শুরু থেকেই নজর ছিল সিবিআইয়ের। এবার শতাব্দী রায়ের নাম উল্লেখ থাকায় বেকায়দায় পড়েছে তৃণমূল।








