২০১২ সালে গুলি করে হত্যা করা হয় তাঁকে। জ্যোতিপ্রিয়র গ্রেফতারির খবর উঠতেই তাঁর ফাঁসি চাইলেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবার। রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁদের।
রাজ্যের আরেক মন্ত্রীর গ্রেফতারিতে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে। এমন সময়ে ধৃত মন্ত্রীর প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা জানালেন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
ধৃত মন্ত্রীর বিপুল সম্পত্তির খোঁজ শুরু করেছে তদন্তকারীরা। এরই মাঝে শান্তিনিকেতনে হদিশ মিলল জ্যোতিপ্রিয়র বিলাসবহুল বাড়ির। সেই বাড়ির মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার তল্লাশি শেষে ভোররাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির পর ইডির স্ক্যানারে আরও কয়েকজন উঠে এসেছে। দুর্নীতির তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে তাঁদের।
সবাই বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। তার মধ্যেই মন্ত্রীদের বাড়িতে হানা দিতে নেমে পড়েছে। একটা লোক কারও নাম বললেই, ওমনি তাঁর বাড়িতে চলে যাচ্ছে। একবারও তদন্ত করে দেখছে না, সেটা সত্যি না মিথ্যে।"