বাড়ির জানালা দরজার অবস্থা খুবই জরাজীর্ণ। এই অবস্থায় ওই মহিলার আপত্তিকর ভিডিও লুকিয়ে লুকিয়ে ওই যুবক তুলতে বলে অভিযোগ উঠছে। এবং পরে সেই ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেখিয়ে লাগাতার ধর্ষণ চালাতো ওই মহিলাকে।
টিউশন পড়ে ফেরার পথে বলপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে নৃশংসভাবে খুন করা হলো চতুর্থ শ্রেণীর একজন নাবালিকা ছাত্রীকে। পরে নদীর চর থেকে গ্রামবাসীরা উদ্ধার করলেন ছোট্ট মেয়েটির নিথর দেহ।
রেলের কোয়ার্টারের একটি কোচিং সেন্টারে প্রায় ১৪ বছরের ওই নাবালিকাকে পড়াতে আসতো শিক্ষক বিশ্বনাথ সর্দার। কয়েক মাস আগেই ওই কোচিং সেন্টারে যোগদান করেন বিশ্বনাথ।
জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মৌলবীর নাম আসজাদ (২২)। গত রবিবার তিনি পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকন্যার সঙ্গে এই কুকীর্তি ঘটান। তাও একেবারে ধর্মস্থলে! এই ঘটনায় শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। মসজিদের উল্টোদিকেই শিশুটির বাড়ি। তাঁকে খেলনার 'লোভ' দেখিয়ে মসজিদে ডেকে আনেন আজাদ। এরপর তাঁর সঙ্গে যৌন নির্যাতন চালান তিনি।
নিহত যুবকের মা হাহাকার করে জানালেন, যারা ধর্ষণ খুন কাণ্ডের সুবিচার চেয়ে চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছেন না। যাঁদের জন্যে অকারনে মৃত্যু হচ্ছে নিরাপরাধ মানুষের, কোল খালি হচ্ছে মায়ের। সেইসব চিকিৎসকদের বিচার করবে কে?
জায়গাটি ছিল ফাঁকা ও নির্জন। গাড়িতে তাঁরা দু’জনেই ছিলেন। গাড়ির মধ্যে বসে গল্প করার ফাঁকে তাঁকে ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে খাইয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।