পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ভোট হবে, মঙ্গলবার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। এরপর থেকেই তৎপর হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সূত্রে খবর, শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পরই প্রতি জেলায় দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইতে পারে কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কপি এলেই প্রয়োজনীয় আবেদন করা হবে বলে খবর।
আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে রাজ্যপালের আলোচনায় অধীর চৌধুরীর সেই চিঠির প্রসঙ্গও উঠে আসতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। প্রায় ৪৫ মিনিট রাজভবনে ছিলেন রাজীব সিনহা। আড়াইটে নাগাদ গাড়িতে চেপে রাজভবন থেকে বেরিয়ে যান তিনি।
যেখানে নেটওয়ার্কের সমস্যা আছে সেখানে গোটা প্রক্রিয়া ভিডিওগ্রাফি করার ব্যবস্থা করা হবে বলে এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই মুহূর্তেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে না বলেই ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর।
পাঁচ জেলায় বাহিনী মোতায়েনের প্রশ্নে অতিরিক্ত কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় এই বিষয়ে নবান্নের সঙ্গে আলোচনা করবে কমিশন।আজ অর্থাৎ শুক্রবার নবান্নের সঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সেই আলোচনা হবে।
শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে মনোনয়ন পত্র গ্রহণ৷ ১৫ জুন পর্যন্ত চলবে মনোনয়ন পর্ব। ১৭ তারিখ পর্যন্ত মনোনয়ন পত্রের স্ক্রটিনির কাজ হবে। মনোনয়ন পত্রের স্ক্রটিনি ।
কয় দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে এই নিয়েও আলোচন হয়েছে এমনতাই জানা গিয়েছে। আর বিজেপি চায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে একাধিক দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। এই জন্যেই মামলার পথে যাচ্ছে রাজ্য বিজেপি।
একবার রাজ্য ও রাজ্যপাল সংঘাত শুরুর পথে? রাজ্য সরকার সূত্রে খবর, নির্বাচন কমিশনারের নাম ঠিক করে রাজ্য। সেখানে রাজ্যপালের পছন্দ থাকে না। রাজ্যপাল শুধু রাজ্যের প্রস্তাবিত নামে স্বাক্ষর করেন।