নজরবন্দি ব্যুরো: সব আশঙ্কা সত্যি করে পঞ্চায়েত ভোটের দিন নজিরবিহীন অশান্তির সাক্ষী গোটা বাংলা। ভোটদিবসের প্রথমার্ধের মধ্যেই রাজনৈতিক হিংসার বলি হলেন ১৩ জন। আর...
রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে রাজীব সিনহার নিয়োগ নিয়ে কম টালবাহানা চলেনি। এমনকি কলকাতা হাইকোর্টে রাজীব সিনহার নিয়োগে বৈধতা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলাও দায়ের হয়েছিল। সোমবার সেই মামলাটিকে খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
কিন্তু কোন কোন বুথকে স্পর্শকাতর বলা হবে? কমিশন জেলাশাসকদের কাছে যে চিঠি পাঠিয়েছে সেখানে লেখা হয়েছে, এক, যেসব বুথে বিগত ভোটে অর্থাৎ ২০১৮ সালে ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে এবং বিজয়ী প্রার্থী ৭৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন সেইসব বুথকে স্পর্শকাতর বলে বিবেচনা করা হবে। দুই, যে নির্বাচনী বুথগুলিতে পুনরায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল সেগুলিকেও স্পর্শকাতর বুথ হিসেবে গণ্য করা হবে।
২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের তুলনায় মনোনয়ন প্রত্যাহারের হার এবার অনেক কম, আদালতে হলফনামা দিয়ে জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে গিয়ে এই হলফনামা জমা দেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা।
বুধবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার জয়েনিং রিপোর্ট ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি রাজীব সিনহাকে তাঁর পদ থেকে সরে যেতে হবে? বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের নাম না নিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। নির্বাচন কমিশনার পদটিও সাংবিধানিক পদ। তাঁকে শপথ নিতে হয়। এভাবে যা খুশি তাই করা যায় না। সেইসঙ্গে রাজনৈতিকভাবে এও বার্তা দিতে চেয়েছেন, এভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে প্যাঁচে ফেলা যাবে না।"
কিন্তু কমিশনার সেই তলব এড়িয়ে যান বলে অভিযোগ। বুধবারও রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেননি কমিশনার। এর পরই কমিশনারের জয়েনিং রিপোর্ট ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন রাজ্যপাল।