২০১৪ সালের যে নোটিফিকেশন বেড়িয়ে ছিল তাতে বলা হয়েছিল গেজেট মেনে সম্পূর্ণ আপডেট সিটে নিয়োগ করা হবে। কিন্তু,২০১৪ সালের পর ১০ বছর কেটে গেলেও কমিশন এখনও ১৪ হাজার ৩৩৯ পদের কথাই বলে যাচ্ছে। আমরা চাই হাইকোর্টের আগামী রায়ে আমাদের আপডেট সিটের দাবিটা ভাল করে দেখা হয়।
গত শুক্রবার ৩৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। পরে সেই রায় সংশোধন করে সংখ্যাটি ৩২ হাজার অপ্রশিক্ষিত শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে নজিরবিহীন নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এবার এই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ৩২০০০ প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নজিরবিহীন রায়ের ওপরেরই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।
শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার বেসরকারি ডিএলএড কলেজগুলির কর্তৃপক্ষদের এবার তলব করল ইডি। মঙ্গলবার সিজিও কমপ্লেক্সে সমস্ত তথ্য ও নথি নিয়ে উপস্থিত হন একাধিক ডিএলএড কলেজের কর্তৃপক্ষ। নিয়োগ দুর্নীতিতে কলেজগুলির ভূমিকা কি ছিল? সবটা খতিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে বলা হয়েছে, যে ১১ হাজার ৭৬৫ শূন্যপদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছে, তার থেকে বাদ যাবে এই ৩৯২৯ শূন্যপদ। বাকি পদে আসন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে, টেটের নম্বর প্রকাশ করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সাত বছর পর পরীক্ষার নম্বর জানবেন ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণরা।
স্কুলের শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ৩। পড়ুয়ার সংখ্যা ৬১। এরই মধ্যে একজন শিক্ষককে বদলি করার সিদ্ধান্ত পর্ষদের। যার বিরোধিতায় সরব হয়েছেন প্রধান শিক্ষক। সেখান থেকেই প্রাথমিক স্কুলের অতিরিক্ত শিক্ষকের বদলি ঘিরে বিতর্ক। যা ঘিরে চাপানুতোর শুরু হয়েছে। এর পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।