নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বেসরকারি ডিএলএড কলেজগুলির কর্তৃপক্ষদের এবার তলব করল ইডি। মঙ্গলবার সিজিও কমপ্লেক্সে সমস্ত তথ্য ও নথি নিয়ে উপস্থিত হন একাধিক ডিএলএড কলেজের কর্তৃপক্ষ। নিয়োগ দুর্নীতিতে কলেজগুলির ভূমিকা কি ছিল? সবটা খতিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Bidhansabha: মশার পরনে নীল-সাদা শাড়ি, বিধানসভায় অনন্য প্রতিবাদ বিজেপির
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তে নেমে ইডির নজর পড়েছে বেসরকারি ডিএলএড কলেজের কর্তৃপক্ষদের। অফলাইন রেজিস্ট্রেশনের জন্য পড়ুয়াদের থেকে যে ৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হত, সম্পর্কে তথ্য খুঁজে বের করতে নথি চেয়ে পাঠিয়েছে ইডি। সেই অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে ৫০ টি কলেজের কর্তৃপক্ষকে ডেকে পাঠানোর কথা ছিল। সেই অনুযায়ী আজ তলব করা হয়েছে।

এর আগে মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে এসে তাপস মণ্ডল বলেন, এটা আমাদের অফলাইনের যে লেট ফাইন, সেটা বলে দিয়েছিলাম। এটা মানিকই বলতে পারবেন কী হয়েছে না হয়েছে। সেই পরিমাণটা ২০ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা হতে পারে। এটা সরাসরি বোর্ডেই যেত। কারণ আমার অফিস থেকে বোর্ডেই ডিসপ্যাচ হত টাকাটা। ইলিগ্যাল ফিজ নয়। ৩০০ টাকা অফলাইন ফিজ়, তার সঙ্গে ৪৭০০ টাকা যোগ হয়েছে।
ইডি সূত্রে খবর, অফলাইনে ভর্তির জন্য মাথাপিছু ৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হত। প্রায় ২০১৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ২১ কোটি টাকা তোলা হয়েছিল। আর কোনও বেসরকারি কলেজ যুক্ত আছে কি না, তা জানতেও তলব করা হয়েছে। কারণ, ৫৩০টি বেসরকারি বিএড এবং ডিএলএড কলেজ থেকে মানিকের ছেলে শৌভিক ভট্টাচার্যের সংস্থা এককালীন পঞ্চাশ হাজার টাকা করে নিয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই লেনদেন সম্পর্কেও চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।
ডিএলএড কলেজগুলির কর্তৃপক্ষদের এবার তলব, নিয়োগ দুর্নীতিতে আরও আর্থিক দুর্নীতি

ইডি সূত্রে খবর, কতজনের কাছ থেকে অফলাইনে ভর্তির জন্য টাকা নেওয়া হয়েছিল? তাঁদের থেকে কত টাকা করে নেওয়া হয়েছিল? এছাড়াও কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল কিনা, তা জানতে চাওয়া হচ্ছে।



