নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্কুলের শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ৩। পড়ুয়ার সংখ্যা ৬১। এরই মধ্যে একজন শিক্ষককে বদলি করার সিদ্ধান্ত পর্ষদের। যার বিরোধিতায় সরব হয়েছেন প্রধান শিক্ষক। সেখান থেকেই প্রাথমিক স্কুলের অতিরিক্ত শিক্ষকের বদলি ঘিরে বিতর্ক। যা ঘিরে চাপানুতোর শুরু হয়েছে। এর পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।
আরও পড়ুনঃ Gulam Nabi Azad: গুলাম এখন আজাদ, নামকরণের দায়িত্ব দিলেন জনতার ওপর


ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া জেলার আমতার ১ নম্বর ব্লকের উদং হাই অ্যাটচড় প্রাথমিক স্কুলে। যেখানে একজন শিক্ষকের বদলি ঘিরে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। ঘটনায় সরব হয়েছেন প্রধান শিক্ষক পিন্টু পাড়ুই। যিনি এই মুহুর্তে বিজেপির শিক্ষা সেলের দায়িত্ব রয়েছেন।
প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য, তিনি বিরোধী দলের সঙ্গে যুক্ত সেকারণেই স্কুলে বেশী শিক্ষক না থাকা সত্ত্বেও এই স্কুলের শিক্ষকদের বদলি করে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর কথায়, “আমাকে জব্দ করার জন্যই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবে এটা করা হয়েছে। জেলা শিক্ষা সংসদকে চিঠি লিখে এই বদলি রদ করার জন্য আবেদন করেছি”।

পিন্টু পাড়ুইয়ের বক্তব্য, এজন্য অভিভাবকদের সম্মতি নিয়েই শিক্ষকের বদলি আটকানোর ব্যবস্থা নিয়েছেন। শিক্ষকের বদলি করা হলে আগামী দিনে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি রিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, সরকার প্রতি ৩০ জন ছাত্রের জন্য একজন করে শিক্ষক ধার্য করেছে। এমনকি ১ জন অতিরিক্ত পড়ুয়া থাকলে তার জন্য আলাদা করে একজন শিক্ষক থাকবেন বলে জানানো হয়েছে। সেই হিসেবে ৬১ জনের জন্য ৩ জন শিক্ষক থাকার কথা। কিন্তু সরকারের নীতির বিরুদ্ধে কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।


শিক্ষকের বদলি ঘিরে বিতর্ক, আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি প্রধান শিক্ষকের

এমনিতেই রাজ্যজুড়ে শিক্ষকদের বদলির জেরে একাধিক স্কুলের কঙ্কালসার অবস্থা। একাধিক স্কুলে ইতিমধ্যেই তালা পড়েছে। যা আগামী দিনে শিক্ষাক্ষেত্রে বিপর্যয় আনতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। পিন্টু পাড়ুই বলেন, “নিয়ম ভেঙে শিক্ষককে তুলে নেওয়া হলে পড়ুয়াদের ওপর প্রভাব পড়বে। এতে স্কুলে পড়ুয়াদের সংখ্যা কমে যাবে”।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



