চাকরি বাতিল করার আগে অভিযুক্তদের বক্তব্য শোনা উচিত ছিল, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হয়েছে। ৩২০০০ শিক্ষকের চাকরি 'সম্ভবত' বেঁচে গেল এ যাত্রায়! বিস্তারিত পড়ুন...
টেট পরীক্ষার খুঁটিনাটি নখ দর্পনে রাখতে যে পর্ষদ কতটা তৎপর তা আজকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে এই ছবিতে। সারি বেঁধে সাজানো কম্পিউটার থেকে চোখ সরাচ্ছেন না পর্ষদের দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এই প্রথম একটি কন্ট্রোল রুম খুলে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার কথা ভেবেছে পর্ষদ।
প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে বড় নির্দেশ। ২০১৪ সালের বকেয়া শূন্যপদে ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণরাই চাকরি পাবে। সেই পদে অন্যদের চাকরি পাওয়ার অধিকার নেই। শুক্রবার এমনটাই রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশ্ন বেঞ্চ। একইসঙ্গে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এর আগে ২৫২ জনকে সরাসরি নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
প্রাথমিকে ৩ হাজার ৯২৯ টি শূন্যপদে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একক বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ পর্ষদ। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে হবে মামলার শুনানি।
সাত বছর নিজেদের পরীক্ষার নম্বর জানতে পারবেন ২০১৪ সালের টেট পাশ চাকরি প্রার্থীরা। একইসঙ্গে ২০১৭ সালের চাকরি প্রার্থীরা নম্বর জানতে পারবেন। অর্থাৎ এবার থেকে দুই সালেরই নম্বর জানতে পারবেন টেট পরীক্ষার্থীরা। একথা জানিয়ে দিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল।