ফল প্রকাশের চতুর্থ জন্মদিন। আপারের মামলা মিটিয়ে দ্রুত নিয়োগের আবেদন মুখ্যমন্ত্রীকে। ২০১৬ সালে ১৪ ই সেপ্টেম্বর টেট পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। আজ সেই ১৪ই সেপ্টেম্বর। তবে এখনও নিয়োগ পাননি চাকরিপ্রার্থীরা।
ফল বেরোলেও আটকে রয়েছে নিয়োগ। ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা।একদিকে লক ডাউন ও মহামারীর প্রকোপ রাজ্যের বিদ্যালয় শিক্ষাব্যবস্থাকে যে যেমন ভাবে এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। ঠিক তেমনই সঠিক পরিদর্শনের অভাব শিক্ষার পরিকাঠামো এবং
ডিজিটাল পঠন পাঠনের উদ্যোগ। রাজ্যে আরও একমাস বন্ধ থাকছে স্কুল। বিশ্ব জুড়ে চলছে করোনা ভাইরাসের তাণ্ডব। করোনা আগ্রাসন থেকে বাঁচতে পারেনি ভারতও। গত ২৪ ঘন্টাতে দেশ জুড়ে রেকর্ড স্পংক্রমণ হয়েছে।
শুনানির আগে আপার নিয়োগ নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য শিক্ষামন্ত্রীর। কদিন আগেই স্কুল সার্ভিস কমিশন সচেষ্ট হয়েছে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি ঘটানোর জন্যে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন রাখা হয় উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ মামলা নিয়ে একটি স্পেশাল কোর্ট বসানোর।
ডিজিটাল শিক্ষাব্যাবস্থা শুরু হচ্ছে রাজ্যে। স্নাতক স্তর এবং পলিটেকনিক এ ভর্তি নিয়ে আগেই মানবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। একদিকে দিল্লি যখন জানিয়েছে গোটা দেশে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরে চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সেখানে ফের অন্য ভূমিকা নিয়েছে রাজ্য সরকার।
শুরু হবে পঠন পাঠন। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ রাজ্যের। করোনা আবহে প্রায় ৪ মাস বন্ধ রয়েছে রাজ্যের যাবতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কবে করোনা-র দাপট কমবে আর সশিক্ষা প্রতিষথান খুলবে সেদিকে তাকিয়ে সবাই। কিন্তু সেই প্রতীক্ষায় পঠন পাঠন বন্ধ থাকতে পারেনা অনির্দিষ্টকালের জন্যে।
কেক কেটে বঞ্চনার পঞ্চম জন্মদিন পালন উচ্চ প্রাথমিক হবু শিক্ষকদের। চাকরি ক্ষেত্রে রাজ্যের চরম অবস্থা অব্যাহত রয়েছে। গ্রুপ ডি ওয়েটিং থেকে আপার প্রাইমারী সব জায়গা থেকেই রয়েছে একাধিক অসঙ্গতির অভিযোগ। স্কুল সার্ভিস কমিশন দীর্ঘ ৭ বছর আপার প্রাইমারি নিয়োগ সম্পন্ন না করে হাজার