নজরবন্দি ব্যুরোঃ ডিজিটাল পঠন পাঠনের উদ্যোগ। রাজ্যে আরও একমাস বন্ধ থাকছে স্কুল। বিশ্ব জুড়ে চলছে করোনা ভাইরাসের তাণ্ডব। করোনা আগ্রাসন থেকে বাঁচতে পারেনি ভারতও। গত ২৪ ঘন্টাতে দেশ জুড়ে রেকর্ড সংক্রমন হয়েছে। একদিনে ৭৮ হাজার মানুষ সংক্রামিত হওয়ার ঘটনায় ভারত ২৪ ঘন্টার নিরিখে বিশ্বের মধ্যে প্রথম। অন্যদিকে রাজ্যেও অব্যাহর রয়েছে সংক্রমনের দাপট। আনলক ৪ নিয়ে কেন্দ্র কদিন আগেই একাধিক নির্দেশিকা জারি করলেও রাজ্যের স্বার্থে তাঁর অনেক কিছুই পালন করতে চাইছে না পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
আরও পড়ুনঃ চলছে না রেল, চুড়ান্ত সমস্যয় NJP স্টেশনের ওপর নির্ভরশীলরা।


প্রথমত কেন্দ্র জানিয়েছিল কনটেন্মেন্ট জোনের বাইরে লকডাউন করা যাবে না। দ্বিতীয়ত, কনটেনমেন্ট জোনে স্কুল, কলেজ সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলেও জানিয়েছে কেন্দ্র। তবে স্কুল খোলা হচ্ছে কনটেনমে্নট জোনের বাইরে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে যেতে পারবে।শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরা আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুলে যাবেন। শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের পঞ্চাশ শতাংশ একসাথে স্কুলে থাকতে পারবেন।
এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার জানিয়েছে লকডাউন পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী পালন করা হবে রাজ্যে। আর দ্বিতীয়ত, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকবে রাজ্যে। এই ঘোষণায় বেশ খুশি শিক্ষক মহল থেকে ছাত্র সমাজ। অন্য দিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ডিজিটাল শিক্ষাব্যাবস্থা শুরু হচ্ছে রাজ্যে। করোনা পরিস্থিতিতে যেকোন পরীক্ষা আগেই বাতিল করা হয়েছে রাজ্যে।
ডিজিটাল পঠন পাঠনের উদ্যোগ। বিশেষজ্ঞদের কথায় রাজ্যসরকার এখন কোনভাবেই ছাত্র ছাত্রীদের জীবন বিপন্ন হতে পারে এমন কোন সিদ্ধান্ত নেবে না। সেই কারনেই এখন অনির্দিষ্টকালের জন্যে বন্ধ থাকবে যাবতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভিড় করে পড়াশোনা করতে যাওয়ার থেকে কিভাবে পড়াশোনাকে অনলাইনে চালু করা যায় তা নিয়েও খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে রাজ্য। ইতিমধ্যেই স্কুল পড়ুয়াদের কত জনের ল্যাপটপ, কম্পিউটার বা স্মার্টফোন রয়েছে তাঁর লিস্ট বানাতে শুরু করেছে স্কুল শিক্ষা দফতর।









