চলছে না রেল, চুড়ান্ত সমস্যয় NJP স্টেশনের ওপর নির্ভরশীলরা।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

কুশল দাসগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ চলছে না রেল, চুড়ান্ত সমস্যয় এনজেপী স্টেশনের হকারেরা। গত ছয় মাস ধরে বিক্রি একেবারেই নেই তাদের। বিশেষ করে যারা রোজ ষ্টেশনে আসতেন এবং বসতেন সবথেকে বেশী সমস্যায় পড়েছেন তারা। ষ্টেশনে বসা চাওয়ালা, বই বিক্রেতা এবং টিফিন বানান যারা তারা রয়েছেন সবথেকে খারাপ অবস্থায়।

আরও পড়ুনঃ জিটিএ অস্থায়ী কর্মচারিদের পেনডাউন, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি থাপার।

গত ছয় মাস ধরে বিক্রি না হওয়ার কারনে দু তিনদিন আগে এক চা বিক্রেতা গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করবার চেষ্টা করেন। এন জে পী ষ্টেশনের রিকসা চালকদেরও অবস্থা শোচনীয়, ভাড়া না পেয়ে তারা একেবারেই হত দরিদ্র অবস্থায় পৌছে গিয়েছেন। ট্রেন না চলবার কারনে সমস্যায় পড়ে গেছেন রেলের অস্থায়ী কর্মচারীরাও, তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ট্রেন না চললে আগামীতে আরো বড় সমস্যায় পড়বেন তারা।

চলছে না রেল, চুড়ান্ত সমস্যয় NJP স্টেশনের ওপর নির্ভরশীলরা। এই চরম পরিস্থিতিতে সবাই নির্ভর করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ওপর। সবার আশা তিনি কিছু একটা ব্যাবস্থা করবেন। একজন রিকশা চালক জানালেন এখন পুরোপুরি নির্ভর করছি মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া চাল এর ওপর। এই রেশন না পেলে মারাই যেতাম। আমরা চাই ট্রেন চলুক। মুখ্যমন্ত্রী উদ্যোগ নিন।

অন্য এক হকারের কথাতেও প্রায় একই সুর। তবে তিনি যোগ করলেন, শুধু চাল দিয়ে কি সংসার চলে? নিত্য নৈমিত্তিক খরচাপাতি রয়েছে। ন্যুনতম দৈনিক ৭০-৮০ টাকা সংসার চালাতে খরচ হয় চাল ছাড়াও। গত ছয় মাসে আমরা শোচনীয় অবস্থাইয় পৌছে গিয়েছি। দিদি কিছু করুন।

উল্লেখ্য, ট্রেন না চলায় আর্থিক অনটনের কারনে। শিলিগুড়ির এনজেপী ষ্টেশনে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক চা ওয়ালা। জানা যায় গত কয়েক মাস ধরে রেল না চলায় তার বিক্রি একেবারেই হচ্ছিলো না। কাজেই সংসার চলছিলো না তার। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ যোগাতে পারছিলেন না বলেও তিনি জানিয়েছিলেন ঘনিষ্ঠ মহলে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর