নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্কুলে শুরু হবে পঠন পাঠন। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ রাজ্যের। করোনা আবহে প্রায় ৪ মাস বন্ধ রয়েছে রাজ্যের যাবতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কবে করোনা-র দাপট কমবে আর সশিক্ষা প্রতিষথান খুলবে সেদিকে তাকিয়ে সবাই। কিন্তু সেই প্রতীক্ষায় পঠন পাঠন বন্ধ থাকতে পারেনা অনির্দিষ্টকালের জন্যে। তাই এবার স্কুল গুলিতে তাতপর্যপুর্ণ নির্দেশ দিল স্কুল শিক্ষা দফতর। সূত্রের খবর দ্রুত রাজ্যের স্কুল গুলিতে শুরু হতে চলেছে পঠন পাঠন। তবে তা হবে অনলাইনের মাধ্যমে। যেভাবে রাজ্যের একাধিক বেসরকারি স্কুল অনলাইনের মাধ্যমে ডিজিটাল ক্লাসের ব্যাবস্থা করেছে তা করা হবে রাজ্য সরকারের অধীনে থাকা সব স্কুল গুলিতে।
আরও পড়ুনঃ করোনা চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনাতে কোটি টাকার কেলেঙ্কারি! উদবিঘ্ন মুখ্যমন্ত্রী।
কিন্তু এই ডিজিটাল শিক্ষা ব্যাবস্থা শুরু করার জন্যে সবথেকে প্রয়োজনীয় হল ইন্টার্নেট এবং সাপোর্টিভ ইকুইপমেন্টস। সেই কারনেই পশ্চিমবঙ্গে ঠিক কতজন ছাত্রছাত্রীর কাছে ডিজিটাল পরিষেবা ব্যবহারের সুবিধা (Digital Device) আছে জানার জন্য, এই বিষয়ে রাজ্যের বিদ্যালয়গুলির প্রধান শিক্ষক/শিক্ষিকার কাছে একটি হিসেব চাইলো পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দফতর। সমস্ত বিদ্যালয়কেই এই নির্দেশিকা পাঠিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।
শুরু হবে পঠন পাঠন। একটি চিঠিতে বিদ্যালয়গুলোতে স্মার্টফোন,ল্যাপটপ, কম্পিউটার ব্যবহারকারী পড়ুয়াদের মোট সংখ্যা এবং শতাংশের হিসাব জমা দিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে প্রধান শিক্ষক কে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে “আপনাদের বিদ্যালয়ে ঠিক কতজন শিক্ষার্থীর কাছে ডিজিটাল ডিভাইস (স্মার্টফোন / কম্পিউটার / ল্যাপটপ) আছে তার একটি শতাংশের হিসাব আমাদের পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানান হচ্ছে”। ডিজিটাল মাধ্যমের সাহায্যে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হওয়ায় অনেক ছাত্রছাত্রীই অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে,যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই পরিসংখ্যান পাঠাতে হবে।”
আরও পড়ুনঃ সুরাপ্রেমীদের জন্যে দারুন খবর। মদের দাম কমাচ্ছে রাজ্য সরকার।
সূত্রের খবর এই পরিসংখ্যান হাতে আসার পর রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর সিদ্ধান্ত নেবে কবে থেকে চালু হবে ডিজিটাল ক্লাস। যদিও প্রশ্ন থাকছে যে কতজন ছাত্রের বাড়িতে ডিজিটাল ডিভাইস রয়েছে তা নিয়ে। সূত্রের খবর পরিসংখ্যান হাতে এলে যে পড়ুয়াদের বাড়িতে এই সুবিধা নেই তাঁদের জন্য অন্য ব্যাবস্থা কবে স্কুল শিক্ষা দফতর। আপাতত সিদ্ধান্ত এটাই যে যত দ্রুত সম্ভব অনলাইনের মাধ্যমে স্কুল চালু করা।
সূত্র জানিয়েছে পড়ুয়াদের স্কুলে আসার ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কিন্তু শিক্ষকরা স্কুল থেকেই ডিজিটাল ক্লাস নেবেন বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের প্রতিটি স্কুলে ডিজিটাল ক্লাসরুমের যাবতীয় সরঞ্জাম মজুত করা হবে দ্রুত।



