নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফল প্রকাশের চতুর্থ জন্মদিন। আপারের মামলা মিটিয়ে দ্রুত নিয়োগের আবেদন মুখ্যমন্ত্রীকে। ২০১৬ সালে ১৪ ই সেপ্টেম্বর টেট পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। আজ সেই ১৪ই সেপ্টেম্বর। তবে এখনও নিয়োগ পাননি চাকরিপ্রার্থীরা। হাইকোর্টে চলছে একাধিক মামলা। ইচ্ছামত টেটের নাম্বার বাড়িয়ে দেওয়া, রেসিও না মানা প্রভৃতি অভিযোগে জেরবার আপার প্রাইমারির নিয়োগ।
আরও পড়ুনঃ সবার জন্য করোনা ভ্যাকসিন ২০২৪-এর আগে নয়! নিরাশার কথা শোনাল সিরাম।
আক্তারুল ইসলাম বনাম রাজ্য সরকার এবং ভানু রায় বনাম রাজ্য সরকার এই দুটি মামলা চলছে হাইকোর্টে। চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষে সওয়াল করছেন আইনজীবি বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য, ফিরদৌস শামিম, সুবীর সান্যাল এবং দিব্যেন্দু চ্যাটার্জী। মামলাকারীদের পক্ষের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য একে একে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথায় কোথায় যোগ্য প্রার্থীদের প্রতি বঞ্চনা করা হয়েছে সেই বিষয়গুলি তুলে ধরেন হাইকোর্টে। যার মধ্যে ছিল মেরিট লিস্টের অসঙ্গতি। ইন্টারভিউতে পেনশিল দিয়ে নাম্বার দেওয়া। রেশিও না মেন্টেইন করা ইত্যাদি। ভানু রায় মামলায় প্রায় ৪০০ পাতার সাপ্লিমেন্টরি জমা দেওয়া হয়।
চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষের আইনজীবীরা বিচারপতিকে একাধিক তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি বলেন পাহাড় প্রমান দূর্নীতি হয়েছে উচ্চ প্রাথমিকে। তাই স্বচ্ছতার সাথে পুনরায় মেরিট লিস্ট প্রকাশ করতে হবে। বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য বলেন, আক্তারুল বা ভানু রায়ের যে মামলা চলছে এই মামলায় যা অর্ডার হবে সেই রায় কার্যকর হবে এই ধরনের যাবতীয় মামলার ক্ষেত্রে। আগামী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ১৫ই সেপ্টেম্বর অর্থাৎ আগামীকাল। শুনানি হবে দুপুর ১২টার সময়।
ফল প্রকাশের চতুর্থ জন্মদিন। আজ ফল প্রকাশের চতুর্থ জন্মদিন পালন করলেন বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের আবেদন যত দ্রুত সম্ভব হাইকোর্টে মামলার নিস্পত্তি করে স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ করতে হবে রাজ্য সরকার কে।
প্রসঙ্গত, উচ্চ প্রাথমিক চাকরিপ্রার্থীরা জানিয়েছেন, শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালে। পরীক্ষা হয় ২০১৫ সালে,এবং ফল প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালে। এরপর ২০১৯ সালে ভেরিফিকেশন ও ইন্টারভিউ নেওয়া হয় সেখানে দেখা যায় অনেক অপ্রশিক্ষনরত এবং কম নম্বর পাওয়া প্রার্থীরা ডাক পেয়েছে। এরই ভিত্তিতে আমরা হাইকোর্টে কেস করেছিলাম। এরপর বেশ কয়েকজন কেস পিটিশনের ভেরিফিকেশন ডাক পায়।



