ভাইরাল একটি অডিও ঘিরে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। যেখানে বিনা পাশে দেদার নিয়োগ এবং সাদা খাতা জমা দেওয়া চাকরী প্রার্থীদের নিয়োগের বিষয়টি উঠে এসেছে। যদিও ভাইরাল সেই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি।
এদিন ১০ টা ৫০ নাগাদ নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের দফতরে উপস্থিত হয়েছেন তিনি। এর আগে সকালে নিজের বাড়িতে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ নেন পার্থ। এদিন পার্থর সঙ্গে উপস্থিত হন আইনজীবীরা।বাইরে থেকে কেউ নিয়ন্ত্রণ করত উপদেষ্টা কমিটি? সেটাই জানতে চায় সিবিআই।
সূত্রের খবর, আয়কর দফতরের তরফে তিন জন নেতার প্যান কার্ডের নম্বরে কোথায় কত সম্পত্তি রয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে চাওয়া হয়েছে পাঁচ বছরের আয়কর রিটার্নের নথিও। আয়কর দফতরের তরফে দেওয়া নথি সঙ্গে তিন নেতার দেওয়া নথি মিলিয়ে দেখা হবে। তাই আরও চাপে আরও চাপে পার্থ-পরেশ-অনুব্রত।
আর সেই কারনেই আদালতের এই নির্দেশ। অনেক আবার মনে করছেন শুধু প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীই নন। এই মামলায় যাঁদের নাম আছে তাঁদের সবারই সম্পত্তির হিসেব চাইবে আদালত।
আবার তাঁর কথায়, দুর্নীতি হয়নি সেটা তিনি জানিয়েছেন। এবার ফের ডাকার পর মনে করা হচ্ছে তদন্তকারী অফিসাররা গত দিনের থেকে আরও বেশি প্রস্তুতি নিয়ে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে জেরা করতে পারেন।
ধবার আবেদনে ত্রুটি থাকার কারণে মামলা গ্রহণ করেনি আদালত। বৃহস্পতিবার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পার্থ অধিকারীর আবেদন করা মামলা থেকে সরে দাঁড়াল বিচারপতি হরিশ টন্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ।
উল্লেখ্য, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সিবিআই জেরার মধ্যেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন সিদ্ধার্থ মজুমদার। এর পরেই তথ্য বিকৃত হওয়ার আশঙ্কায় রাতেই জরুরী ভিত্তিতে শুনানির আবেদন জানান চাকরীপ্রার্থীরা৷ তাঁদের বক্তব্য, অবিলম্বে সমস্ত নথি সংরক্ষণের জন্য সিআরপিএফ মোতায়েন করা হোক৷