বলাবাহুল্য, এটিই এই মুহূর্তে একমাত্র সূচহীন তথা ডিএনএ রিলেটেড কোভিড ভ্যাকসিন যা ভারত সরকারের তরফ থেকে ১২ বছরের কাছাকাছি বয়সীদের সংক্রমণের থেকে দূরে রাখার জন্য জরুরি প্রয়োজনের ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, অন্যান্য টিকার মতো মাত্র দুটি ডোজ নয় বরং প্রথম ডোজ গ্রহনের ২৮ দিন ও দ্বিতীয় ডোজ গ্রহনের ৫৬ দিনের পর এই টিকা গ্রহন করা যাবে।
এই নয়া সাব-ভ্যারিয়েণ্টের প্রসঙ্গে এক আধিকারিক বলেন, এই মুহূর্তে বিএ.২ এর নয়া সিকোয়েন্সটি গোটা বিশ্বের প্রায় ৫৭টি দেশ থেকে সংগ্রহ করে জিআইএসএআইডি-তে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে বলাবাহুল্য, যে সমস্ত দেশ থেকে এগুলি সংগ্রহ করা হয়েছে তার অধিকাংশই এই নয়া ভ্যারিয়েণ্টের হদিস মিলেছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে কিছু না জানা গেলেও এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি সংক্রমণের শক্তি ও প্রতিরোধ ক্ষমতা ফাঁকি দেওয়ার বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শুধু উষ্ণতা মাপলেই ধরা পড়ছেনা কোভিড, তাহলে উপায় কি? কোভিড নির্ণয়ের ক্ষেত্রে উষ্ণতা পরিমাপ কতটা কাজ করে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাতে ভেশ চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা, কারণ কোভিডের অন্যতম একটি উপসর্গ জ্বর এ কথা যেমন সত্যি তেমনই এ কথাও সত্যি যে জ্বর ছাড়াও নাক থেকে জল পড়া, মাথাধরা, ক্লান্তি বা গলা ব্যথার মতো আরও নানা ধরনের উপসর্গ কোভিডের ক্ষেত্রে দেখতে পাওয়া যায়।
অতিরিক্ত পরিশ্রম করলে দেখা দেবে করোনার নয়া উপসর্গ, কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা? কোভিড আক্রান্ত হওয়ার পর দ্রুত সেরে উঠতে সকলেই নিজেদের যত্ন নেন। তবে সংক্রমণের ১৫ দিনের পরেও একই কাজ করা উচিত। শরীরের সঙ্গে কোনও রকম অবহেলা নয়। পুষ্টিকর খাবার খান, ব্যায়াম করুন, সময় মতো ঘুমান, মানসিক চাপ নেবেন না এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নিন। কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ আসা মাত্রই কঠোর পরিশ্রম করবেন না। শরীরকে সুস্থ হতে সময় দিন।
কোভিডমুক্তির পর দেখা মিলছে নতুন উপসর্গের, চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা। কোভিডের পরেও শরীরে একাধিক রোগের উপসর্গ থেকে যেতে পারে, এ কথা আগেও বারবার বলেছেন চিকিৎসকরা। বেশ কিছু ক্ষেত্রে ডায়াবিটিসের মতো রোগ বেড়ে যাওয়ার প্রবণতাও রয়েছে কোভিড রোগীদের মধ্যে। কিন্তু এ বার সম্পূর্ণ নতুন একটি উপসর্গের কথা জানালেন চিকিৎসকরা।
WHO-এর টেকনিক্যাল প্রধান, ডঃ মারিয়া খেরকোভ বলছেন, "কোভিড কবে পৃথিবী থেকে চলে যাবে, তা নির্ভর করছে আমাদের উপর। এটা ঠিক যে আমাদের সারাজীবন মাস্ক পরে থাকতে হবে না। সারাজীবন শারীরিক দূরত্বও বজায় রাখতে হবে না। কিন্তু, বর্তমানে আমাদের কোভিড প্রোটোকল মেনে চলা আবশ্যক। এখনও মহামারীর শেষ পর্যায়ে পৌঁছইনি।"
ভারতে গোষ্ঠী সংক্রমণের পর্যায়ে ওমিক্রন, দাবি INSACOG-এর। দেশে হু হু করে বেড়ে চলা ওমিক্রন এখন পৌঁছে গিয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণের পর্যায়ে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৩৩,০০০ যা গতকালের সংক্রমণের তুলনায় সামান্য কম। তৃতীয় ঢেউয়ে উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে করোনার নতুন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। বর্তমানে দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও ১০ হাজার পার করেছে। দেশের ২৯ রাজ্যে থাবা বসিয়েছে ওমিক্রন। দেশ গোষ্ঠী সংক্রমণের পর্যায়ে জানিয়ে দিল ইন্ডিয়ান সার্স-কোভিড-২ জেনোমিক কনসর্টিয়াম (INSACOG)।