নজরবন্দি ব্যুরোঃ হু হু করে বেড়ে চলা করোনা সংক্রামণের তৃতীয় ঢেউ কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে দেশ সহ গোটা বঙ্গবাসীকে। গত বেশ কয়েকদিন ধরে লাগাতার দৈনিক আক্রান্তে নিম্নমুখী যে ট্রেন্ড শুরু হয়েছিল তা বজায় থাকল রবিবারও। কিছুটা কমল অ্যাকটিভ কেস। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২, ৩৪, ২৮১ জন। দেশের পটিজিভিটি রেট বেড়ে দাড়ালো ১৪.৫০ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৮৮৯ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৩, ৫২, ৭৮৪ জন।


কোভিডের পরেও শরীরে একাধিক রোগের উপসর্গ থেকে যেতে পারে, এ কথা আগেও বারবার বলেছেন চিকিৎসকরা। বেশ কিছু ক্ষেত্রে ডায়াবিটিসের মতো রোগ বেড়ে যাওয়ার প্রবণতাও রয়েছে কোভিড রোগীদের মধ্যে। কিন্তু এ বার সম্পূর্ণ নতুন একটি উপসর্গের কথা জানালেন চিকিৎসকরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোভিড রোগীর মধ্যে দেখা যাচ্ছে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যাওয়ার প্রবণতা। বিজ্ঞানের ভাষায় রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যাওয়াকে ‘হাইপোগ্লাইসেমিয়া’ বলা হয়। রক্তে শর্করার পরিমাণ প্রতি ডেসিলিটারে ৭০ মিলিগ্রামের কম হলে তাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কোভিডের ১০ থেকে ১৫ দিন পর এই উপসর্গ দেখা যাচ্ছে।
কিন্তু কেন এমন হচ্ছে, তা সম্পর্কে অবশ্য এখনও নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। কারও কারও মতে কোভিডের সময়ে কম খাওয়া দাওয়া করা বা সময় মতো খাওয়াদাওয়া না করার কারণেই এ রকম ঘটনা ঘটে। ক্ষেত্র বিশেষে কিছু অ্যান্টিবায়োটিক পুরোনো ধরনের ডায়াবিটিসের ওষুধের বিক্রিয়ায় কমিয়ে দিতে পারে শর্করার মাত্রা।


কোভিডমুক্তির পর দেখা মিলছে নতুন উপসর্গের, চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা

কোভিড আক্রান্ত রোগীদের সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য অতিরিক্ত পুষ্টির দরকার হয়। তাই শর্করার বিপাক বেড়ে গেলে এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত খাবার ও জল এই সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারলেও ঝুঁকি না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভাল।








