নজরবন্দি ব্যুরোঃ বর্তমান সময়ে আগের থেকে অনেকটাই কমে এসেছে করোনা তথা ওমিক্রনের আতঙ্ক। যারফলে বিগত কয়েকদিন আগেই আশ্বাস বার্তা শোনা গিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ থেকে। তবে কিছুতেই যেন পিছু ছাড়তে চাইছে করোনা, তাই সময়ের সাথে ওমিক্রন শক্তিহারা হতে শুরু করলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিতে চিন্তা বাড়িয়েছে ওমিক্রনের সাব-ভ্যারিয়েণ্ট।
আরও পড়ুনঃ COVID-19 in India: দেশের ১০ শতাংশ কমল আক্রান্তের সংখ্যা, চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃত্যু


উল্লেখ্য, গতবছরের শেষের দিকে দক্ষিন আফ্রিকায় খোঁজ মিলেছিল তৎকালীন নয়া ভ্যারিয়েণ্ট ওমিক্রন। এরপর যতই সময় এগিয়েছে ততই বিশ্বের একাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়ে এই নতুন ভ্যারিয়েণ্ট। যা বর্তমান সময়ে ভারত সহ একাধিক দেশে দেখিয়ে চলেছে দাপট। তবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে উঠে আসা নয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১,৬১,৩৮৬ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪,১৬,৩০,৮৮৫ জন। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১,৭৩৩ জনের। মোট মৃতের সংখ্যা ৪,৯৭,৯৭৫ জন।
তবে এবার নাকি ওমিক্রনের থেকেও ব্যাপক শক্তিশালী হতে চলেছে এই সাব-ভ্যারিয়েণ্ট। পাশাপাশি এবারও নয়া ভ্যারিয়েণ্টের উৎসস্থল সেই দক্ষিন আফ্রিকা। যা ইতিমধ্যেই বিশ্বের একাধিক দেশে প্রবেশ করে রীতিমতো ডমিন্যান্ট ভ্যারিয়েণ্টের রূপ ধারন করেছে। যা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ থেকে।
চোখ রাঙাচ্ছে ওমিক্রনের সাব-ভ্যারিয়েণ্ট, চিন্তায় WHO

এই নয়া সাব-ভ্যারিয়েণ্টের প্রসঙ্গে এক আধিকারিক বলেন, এই মুহূর্তে বিএ.২ এর নয়া সিকোয়েন্সটি গোটা বিশ্বের প্রায় ৫৭টি দেশ থেকে সংগ্রহ করে জিআইএসএআইডি-তে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে বলাবাহুল্য, যে সমস্ত দেশ থেকে এগুলি সংগ্রহ করা হয়েছে তার অধিকাংশই এই নয়া ভ্যারিয়েণ্টের হদিস মিলেছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে কিছু না জানা গেলেও এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি সংক্রমণের শক্তি ও প্রতিরোধ ক্ষমতা ফাঁকি দেওয়ার বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।









