কোভিডে সংক্রমণের যে পরিসংখ্যান নিয়ে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে, সেই পরিসংখ্যান আদৌ ঠিক নয় বলে যে দাবি করছে চিনের। এদিকে দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২০১ জন। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন জানাচ্ছে, গতকালের তুলনায় বেশ কিছুটা বেড়েছে সংক্রমণের সংখ্যা।
উর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণে বেসামাল চিন, ব্রিটেনও বাড়াচ্ছে উদবেগ। শনিবার সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৬৪ হাজার জন। তবে এর আগে দৈনিক ৩ লক্ষ সংক্রমণে পৌঁছে গিয়েছিল তারা। সেখান থেকে দু’দিনে সামান্য নিম্নমুখী (Covid-19)হলেও সংক্রমণের হার ভয় দেখাচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে বলা হয়েছে BA.1 এবং BA.2 জিনগতভাবে অনেকটাই আলাদা। কিছু মিল আছে ঠিকই। কিন্তু অ্যামাইনো অ্যাসিডের পরিবর্তন হওয়ায় দুই উপপ্রজাতির স্পাইক প্রোটিনের চরিত্র আলাদা।
গত কয়েকদিনে চিনে বেড়েই চলেছে করোনা নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন।দাবানলের মতো ছড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ। যার জেরে পরিস্থিতি আগের থেকে আরও আশঙ্কাজনক হয়ে উঠেছে। একাধিক জায়গায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
সাধারণ মানুষ কবে থেকে পাবে তৃতীয় কোভিড-টিকা? কি জানাচ্ছে কেন্দ্র? বর্তমানে দেশে স্বাস্থ্য -কর্মী, ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার ও ক্রনিক রোগে অসুস্থ ষাটোর্ধ্বদের তা দেওয়ার কাজ চলছে। কিন্তু বাকিদের তৃতীয় পর্বের টিকাকরণ (বুস্টার ডোজ়) কবে থেকে শুরু হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ছবি তুলে ধরতে পারেননি স্বাস্থ্যকর্তারা। তবে কেন্দ্রের আশ্বাস, এখনও পর্যন্ত যে ভাবে ধাপে ধাপে টিকাকরণ হয়ে এসেছে, সে ভাবেই সকলকে তৃতীয় ডোজ় দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।
ওমিক্রনের সংক্রমণ ছড়ালে প্রথমেই গলা ব্যথার উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। এরপরই জ্বর, সর্দিকাশি, নাক থেকে জল গড়ানো, গায়ে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে এই ধরনের উপসর্গ দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে করোনা পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
পরিস্থিতি স্বাভাবিকের পথে, মার্চেই শেষ করোনা, দাবি ICMR-এর। আগামী মার্চেই পরিস্থিতি স্বাভাবিকের পথে। প্যানডেমিক থেকে এন্ডেমিক হয়ে উঠবে করোনা। আইসিএমআর (ICMR) এর অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল ডঃ সমীরণ পাণ্ডা জানান, করোনার তৃতীয় ঢেউতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছিল মহারাষ্ট্র, দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গে। আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়তে থাকে। পাল্লা দিয়ে মৃতের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। তবে বর্তমানে সেই সংখ্যা কমছে।