কিন্তু মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর বিজেপি কোথাও এনডিএ জোটের সঙ্গে সম্পর্ক চলে যায় কিনা নীতিশের দলের, এখন সেটাই দেখার। উল্লেখ্য, এর আগেও বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার দাবি করেছিল এনডিএর আরেক মূল শরিক তেলেগু দেশম পার্টির নেতা তথা অন্ধপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু।
যে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকগুলো সমর্থনকারীরা আশা করেছিলেন, তা-ও সুকৌশলে এড়িয়েছেন তিন বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। আর এবার স্পিকার পদের ক্ষেত্রেও ওভার বাউন্ডারি হাঁকালেন মোদীই।
চন্দ্রবাবু নাইডু চাইছেন না স্বরাষ্ট্রদফতর থাক অমিত শাহর হাতে। পাশাপশি তিনটি পূর্ণমন্ত্রী ও দু’টি প্রতিমন্ত্রীর পদ দাবি করেছেন নাইডু। শুধু তাই নয়, স্পিকার পদও চাইছেন তিনি। অন্যদিকে নীতীশ কুমার চেয়েছেন চার পূর্ণমন্ত্রী ও একটি প্রতিমন্ত্রী পদ। পাশাপাশি বিহারের জন্যে স্পেশাল প্যাকেজ।
চন্দ্রবাবু নাইডু, নীতীশরা ইতিমধ্যেই নিজেদের শর্ত জানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্বকে। তাঁরা কে কোন মন্ত্রক চান, বা রাজ্যের জন্য কে কী সুবিধা চাইছেন— তার তালিকা জমা করেছেন মোদীর কাছে। মৌখিক আলোচনাও হয়েছে। আজকের বৈঠকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এ ব্যাপারে।
ভারত সরকারের মন্ত্রিসভায় যাদের বলা হয় বিগ ফোর, সেই অর্থ, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ কাউকে দিতে নারাজ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। যদিও এর মধ্যে কমপক্ষে দুটি নিজেদের দখলে রাখতে চায় দুই জোট সঙ্গী। নীতীশ আজ দলের জন্য চার পূর্ণমন্ত্রী ও একটি প্রতিমন্ত্রী পদ এবং চন্দ্রবাবু তিনটি পূর্ণমন্ত্রী ও দু'টি প্রতিমন্ত্রীর পদ দাবি করেছেন। শুধু তাই নয়, স্পিকার পদও চাইছেন চন্দ্রবাবু নাইডু।
টিডিপি অন্ধ্রপ্রদেশে পেয়েছে ১৬টি ও জেডিইউ বিহারে জিতেছে ১২টি আসন। এই ২৮টি আসন এই মুহূর্তে সরকার গড়ার ক্ষেত্রে প্রধান ফ্যাক্টর হবে বিজেপির জন্য। ইতিমধ্যেই এই দুই শরিক দলের সুপ্রিমোর সঙ্গে কথা বলেছেন নরেন্দ্র মোদি।