তিনি বলেন, ‘‘খুনিরা থানায় এসেছিল। যারা খুন করেছে, মাকে খুন করেছে। রথীবালা আড়ি সঞ্জয় আড়ির মা নন, তিনি আমার মা। খুনিদের সঙ্গে এখনই মিটিং করেছেন। আমি জানতে চাই, খুনির সঙ্গে এখনই মিটিং করেছেন কেন? মজা দেখাব আইসিকে!’’
অপর দিকে এই ঘটনা নিয়ে এখনো পর্যন্ত কী পদক্ষেপ? জানতে চাইল নির্বাচন কমিশন। কী কারণে মৃত্যু? পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে দ্রুত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দিল কমিশন। অশান্তি প্রবণ অঞ্চলে রুট মার্চ করানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
এই কেন্দ্রের অন্তর্গত নন্দীগ্রাম বিধানসভায় একুশ সালে হেরে যান খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেতেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই হারের 'ক্ষত' এখনও যে পুরোপুরি সারেনি তা স্পষ্ট হল তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায়।
৭ই মার্চ বিজেপিতে যোগদানের ঠিক পাঁচ দিন পর অর্থাৎ ১২ই মার্চ নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা বর্তমান বিজেপি নেতা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী, একুশের বিধানসভার সেই হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম! আর সেখানে বর্তমান সময়ের রাজ্যের সবচেয়ে ‘জনপ্রিয়’ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পিছনে ফেলে জয় পেলেন তখন সদ্য দলত্যাগী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই নন্দীগ্রামেই বিজেপির সমর্থনে পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়ল তৃণমূল! এরপরে কী নন্দীগ্রামকে আর শুভেন্দু-গড় বলা যায়? প্রশ্ন তুলছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জয়ী প্রার্থীদের বোর্ড গঠনে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, রানাঘাট ১ নম্বর ব্লক, হবিবপুর সহ একাধিক জেলায় বিজেপি ছাড়াও সিপিএম, কংগ্রেস, নির্দল জয়ী প্রার্থীদের বাধা দেওয়া হচ্ছে।
আজ বিধানসভায় ফের একবার নন্দীগ্রামে হারের প্রসঙ্গ উত্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, একুশের বিধানসভায় তাঁকে লোডশেডিং করে হারিয়ে দেওয়া হয়। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করলেন বিজেপি বিধায়করা। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রীকে ‘উদভ্রান্ত’ বলে কটাক্ষও করলেন শুভেন্দু।