নজরবন্দি ব্যুরো: বোর্ড গঠনের আগেই গ্রেফতার হয়ে যেতে পারেন, এই আশঙ্কায় আগে থেকেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ নন্দীগ্রামের জয়ী প্রার্থীরা। সোমবার হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছে। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে মামলার শুনানি হবে। পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে।
আরও পড়ুন: ইডি অফিসারদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিস্ফোরক অভিষেক, কী বললেন তিনি?
আগামী বুধবার নন্দীগ্রামে বোর্ড গঠন। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ী বিজেপি প্রার্থীদের আশঙ্কা যাতে তাঁরা বোর্ড গঠন করতে না পারে তার জন্য তাঁদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে গ্রেফতার করতে পারে পুলিশ। এই অভিযোগেই এদিন হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। মামলাকারীদের বক্তব্য, নন্দীগ্রামের দুটি ব্লকের ১৭ টি পঞ্চায়েতের বিজয়ী প্রার্থীরা বোর্ড গঠনে যাতে হাজির থাকতে না পারেন তার জন্য নানারকম চেষ্টা করছে পুলিশ। অনেককেই পুরনো মামলায় পুলিশ তলব করছে, কোথাও রাজ্যের শাসক দল জয়ী প্রার্থীদের নিজেদের এলাকায় ঢুকতে দিচ্ছে না। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) এই মামলাটি শুনবেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে নন্দীগ্রামে ১৫ জন জয়ী প্রার্থীকে রক্ষাকবচ দিয়েছিল। তাঁদের গ্রেফতারির উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছিল বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ। বিজেপির অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ১৮ টি এফআইআর হয়েছে। যাতে বিজেপি বোর্ড গঠন করতে না পারে, তার জন্য ভুয়ো মামলা দেওয়া হচ্ছে।
সেইসময় রাজ্যের আইনজীবী সওয়াল করেছিলেন, বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী রয়েছে। এবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত প্রশ্ন করেন, তাঁরা কি সবাই জয়ী প্রার্থী? রাজ্যের আইনজীবীর উত্তরে বিরক্ত হয়ে বিচারপতি বলেন, “এরা বিজেপি করে সেটা জানেন, আর জয়ী প্রার্থী কিনা সেটা জানেন না?” এরপরই বিজেপি প্রার্থীদের রক্ষাকবচ দেন তিনি।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ নন্দীগ্রামের জয়ী প্রার্থীরা

রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জয়ী প্রার্থীদের বোর্ড গঠনে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, রানাঘাট ১ নম্বর ব্লক, হবিবপুর সহ একাধিক জেলায় বিজেপি ছাড়াও সিপিএম, কংগ্রেস, নির্দল জয়ী প্রার্থীদের বাধা দেওয়া হচ্ছে।



