৭ই মার্চ বিজেপিতে যোগদানের ঠিক পাঁচ দিন পর অর্থাৎ ১২ই মার্চ নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা বর্তমান বিজেপি নেতা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। চলতি মাসের শেষেই ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উত্থান-ক্ষেত্র নন্দীগ্রামে ভোট প্রচারে উপস্থিত হলেন তিনি।
আরও পড়ুন: প্রচারে নেমেই পুরনো দল ও প্রার্থী নিয়ে বিস্ফোরক তাপস রায়, এবার জমজমাট লড়াই কলকাতা উত্তরেও


প্রথমবার নন্দীগ্রামে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি ‘শান্তিকুঞ্জ’-এও গিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নিয়েছিলেন শিশির অধিকারীর। আর এবার সম্পূর্ণ ভোট প্রচারে নন্দীগ্রামে উপস্থিত হলেন তমলুকের বিজেপি প্রার্থী। তমলুক লোকসভার মধ্যেই অন্তর্গত নন্দীগ্রাম বিধানসভা। আর এই নন্দীগ্রাম আবারও ইতিহাস তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন অভিজিৎ।

নন্দীগ্রামে গিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সাফ বললেন, “এই নন্দীগ্রাম আগেও অনেক ইতিহাস তৈরি করেছে। এবারেও দেখুন না কি করে!” এদিন শুভেন্দু অধিকারী অভিজিৎকে পাশে নিয়ে বলেন, “এই নন্দীগ্রামে বসেই আমরা ঠিক করেছিলাম ফিরোজা বিবিকে প্রার্থী করা হবে। আর এবারও এখানে মানুষের কথা ভেবেই আমরা সঠিক প্রার্থী নির্বাচন করেছি। এবারের ভোটে শিক্ষা দুর্নীতি একটা বড় ভূমিকা রাখবে। আপনারা দেখতেই পাবেন মানুষ কাকে সমর্থন করছে আর কাদের ছুড়ে ফেলেছে!”



আবার ইতিহাস তৈরি করবে নন্দীগ্রাম? মমতার উত্থান-ক্ষেত্রে পা রেখেই হুঙ্কার অভিজিতের
নন্দীগ্রামের ভূমি আন্দোলনের বিষয়ে রাজনৈতিক বিষয়ে ওয়াকিবহাল প্রত্যেকেই জানেন। এই ভূমি থেকেই ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কৃষি জমিতে বন্ধ করেন টাটা ন্যানো কারখানা। যদিও তা নিয়ে নানান বিতর্ক রয়েছে। একুশের বিধানসভায় অবশ্য এই নন্দীগ্রাম থেকেই ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে যান তিনি। এবারের লোকসভায় নন্দীগ্রাম কোন পক্ষে থাকবে তা অবশ্য বলবে সময়।








