নজরবন্দি ব্যুরো: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী, একুশের বিধানসভার সেই হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম! আর সেখানে বর্তমান সময়ের রাজ্যের সবচেয়ে ‘জনপ্রিয়’ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পিছনে ফেলে জয় পেলেন তখন সদ্য দলত্যাগী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই নন্দীগ্রামেই বিজেপির সমর্থনে পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়ল তৃণমূল! এরপরে কী নন্দীগ্রামকে আর শুভেন্দু-গড় বলা যায়? প্রশ্ন তুলছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতার ৭৬! আজ থেকেই শুরু উদযাপন, প্রতিটা বাড়িতে তেরঙ্গা টাঙানোর আর্জি কেন্দ্রের


ব্যাপারটা ঠিক কী? নন্দীগ্রামের মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন ১৮টি। সেখানে তৃণমূল ১২টি আসনে এবং বিজেপি ৬টি আসনে জয়ী হয়। সূত্রের খবর, শেখ শাহনওয়াজ খানকে প্রধান হিসেবে মেনে নেওয়ার জন্য দলের নির্বাচিত সদস্যদের উদ্দেশে হুইপ জারি করেছিল তৃণমূল। যদিও পঞ্চায়েত সদস্যদের শপথগ্রহণের পর দেখা যায় দলের হুইপকে অমান্য করে ঘাসফুল নেতা শেখ সুফিয়ানের জামাই শেখ হাবিবুলকে সমর্থন করেন তৃণমূলের ৫ পঞ্চায়েত সদস্য। হাবিবুলকে সমর্থন করে বিজেপির ৬ পঞ্চায়েত সদস্যও। ফলে সমস্ত হিসেব উল্টে তৃনমূলের ‘অফিসিয়াল প্যানেলে’র বিরুদ্ধে গিয়ে বিজেপির সমর্থনে বোর্ড গড়ে তৃণমূলের একাংশ। যার প্রধান হন সুফিয়ানের জামাই।

সুফিয়ানের জামাই শেখ হাবিবুল বলেন, “কে কাকে সমর্থন করল সেটা বড় কথা নয়। মানুষের ভোটে নির্বাচিত সদস্যরা আমাকে ভোট দিয়েছেন। তাঁদের ভোটে জিতেই আমি প্রধান হয়েছি।” জানা গিয়েছে, এদিন নন্দীগ্রাম ১ এবং ২ নম্বর ব্লক মিলিয়ে ১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ৬টি এবং বিজেপি ১১টিতে বোর্ড গঠন করেছে। মহম্মদপুর ছাড়াও এদিন কালীচরণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতেও বিজেপি এবং তৃণমূল যৌথভাবে বোর্ড গঠন করেছে।



বিজেপির সমর্থনে পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়ল তৃণমূল, তাও খোদ নন্দীগ্রামে!








