নজরবন্দি ব্যুরো: ২০২২ সাল ছিল প্রতিটি ভারতীয়র জন্য বিশেষ। কারণ, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি হয়েছিল সে বছরই। মহা সমারোহে, মহা ধুমধামের সঙ্গে ‘আজাদী কা অমৃত মহোৎসব’ পালনের সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চলতি বছরে আর চার দিন পেরোলেই স্বাধীনতা দিবস। এদিকে আজ থেকেই শুরু হয়ে গেল ৭৬তম স্বাধীনতা দিবসের উদযাপন। নয়াদিল্লির প্রগতি ময়দান থেকে সাংসদ ও মন্ত্রীরা বাইক র্যালির মাধ্যমে এ বছরের কর্মসূচি শুরু করে দিলেন।


শুক্রবার সকালে দেশের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় এই বাইক র্যালির শুভ সূচনা করলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি, অনুরাগ ঠাকুর, শোভা করন্দলাজ, পীযূষ গোয়েলসহ এবং অন্যান্যরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও এই সমাবেশে অংশ নেন। সকাল ৮টার সময় নয়াদিল্লির প্রগতি ময়দান থেকে সাংসদ ও মন্ত্রীরা বাইক র্যালি শুরু করেন। সাংসদ-মন্ত্রীরা তিরঙ্গা লাগানো বাইক নিয়ে পৌঁছন ইন্ডিয়া গেট সার্কেলে। ইন্ডিয়া গেটের চক্কর কেটে কর্তব্য পথ ধরে মেজর ধ্যানচাঁদ স্টেডিয়ামে শেষ হয়।

প্রসঙ্গত, এই কর্মসূচিতে সাংসদ ও মন্ত্রীদের তরফে সাধারণ মানুষকে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নিজেদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগানোর জন্য অনুপ্রাণিত করা হয়। আগামী ১৩ অগস্ট থেকে ১৫ অগস্ট অবধি ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ পালিত হবে। গত বছরই এই কর্মসূচি ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিল। দেশের কোটি কোটি মানুষ নিজেদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। দেশের প্রায় ৬ কোটি মানুষ ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ ওয়েবসাইটে জাতীয় পতাকা নিয়ে নিজস্বী আপলোড করেছিলেন।



আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন সিংহ মেঘওয়াল আবেদন করেন, প্রত্যেক দেশবাসীর ১৫ অগস্ট ও ২৬ জানুয়ারিতে নিজেদের বাড়িতে তিরঙ্গা লাগানো উচিৎ। তিনি বলেছেন, “প্রত্যেক দেশবাসীর কর্তব্য বাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগানো। চলতি বছরের ১৫ অগাস্ট আজাদি কা মহোৎসব উৎযাপন শেষ হচ্ছে, তাই মুহূর্তটাকে বিশেষ বানানো সকলের দায়িত্ব”। আজাদি কা মহোৎসব উৎসবের উপযাপনের কথা মাথায় রেখে প্রত্যেক দেশবাসীকে নিজেদের বাড়িতে তিরঙ্গা টাঙানোর কথা বলেছেন অনুষ্ঠানে হাজির অপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডিও।
স্বাধীনতার ৭৬! আজ থেকেই শুরু উদযাপন, প্রতিটা বাড়িতে তেরঙ্গা টাঙানোর আর্জি কেন্দ্রের








